×
ব্রেকিং নিউজ :
নির্বাচন–পরবর্তী দুই শতাধিক সহিংসতায় নিহত ৩, আহত তিন শতাধিক: এইচআরএসএস অন্তর্বর্তী সরকারের সময় মত প্রকাশের জন্য কোনো সাংবাদিককে জেলে যেতে হয়নি: তথ্য উপদেষ্টা ১৮ ফেব্রুয়ারি থেকে মাধ্যমিক ও নিম্ন মাধ্যমিক স্কুল বন্ধের নির্দেশ হাইকোর্টের কানাডার প্রতি ‘হস্তক্ষেপ দূর’ করতে সহযোগিত জোরদারের আহ্বান চীনের ওসমান হাদি হত্যা: সিআইডি’র তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল ১৯ ফেব্রুয়ারি ট্রাম্পের লড়াইয়ে ইউরোপকে পাশে চান রুবিও আজ ডা. শফিকুর ও নাহিদের বাসায় যাচ্ছেন তারেক রহমান মিনেসোটায় অভিবাসী ধরপাকড় ‘স্বৈরতান্ত্রিক আচরণ’ : ওবামা মঙ্গলবার সকালে সংসদ সদস্য ও বিকেলে মন্ত্রিসভার শপথ: আইন উপদেষ্টা এআইকে ‘অস্ত্র’ বানাচ্ছে সাইবার অপরাধীরা, মোকাবিলায় ইন্টারপোলের নীরব যুদ্ধ
  • প্রকাশিত : ২০১৭-০৫-২৩
  • ৬৮৯ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক
বিচারক নিয়োগের ক্ষেত্রে আদালতের সাত সুপারিশ
নিজস্ব প্রতিনিধি:- সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি নিয়োগের ক্ষেত্রে সাতটি যোগ্যতা নির্ধারণ করে বিচারক নিয়োগ নীতিমালার পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশিত হয়েছে। বিচারপতি ওবায়দুল হাসান ও বিচারপতি কৃষ্ণা দেবনাথের স্বাক্ষরের পর গতকাল সোমবার সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে ৪৬ পৃষ্ঠার এ রায় প্রকাশ করা হয়। রায়ে বিচারক নিয়োগে সাতটি যোগ্যতা নির্ধারণসহ বেশকিছু মতামত দিয়েছেন আদালত। বিচারক নিয়োগের ক্ষেত্রে আদালতের সাত সুপারিশ এক. রাষ্ট্রপরিচালনার মূলনীতি, যেমন-জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র, ধর্মনিরপেক্ষতা এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী বাংলাদেশি নাগরিক হতে হবে। দুই. মেধাবী, প্রাতিষ্ঠানিক ও উচ্চতর পেশাগত যোগ্যতা সম্পন্ন, সৎ এবং আইনি জ্ঞান সম্পন্ন হতে হবে। তিন. বিচারক হতে আগ্রহী প্রার্থীদের জীবন বৃত্তান্ত সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে দিতে হবে। যাতে প্রধান বিচারপতি প্রার্থীর সাক্ষাৎকার গ্রহণের মাধ্যমে নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছতার ভিত্তিতে উপযুক্ত ব্যক্তিকে মনোনয়ন দিতে পারেন। চার. পেশাগত জীবনে একজন ব্যক্তির অর্জিত দক্ষতা ও পারদর্শিতাকে প্রথমত বিবেচনায় নেওয়া উচিত। ভারতের আইন কমিশনের ৮০তম প্রতিবেদনের সুপারিশে একজন বিচারকের পরিপক্বতা পেশাগত অভিজ্ঞতার ক্ষেত্রে একটি বয়সসীমা ধরা হয়েছে। সেই হিসেবে সুপ্রিম কোর্টের বিচারক মনোনয়নের ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন বয়স ৪৫ বছর হওয়া উচিত। পাঁচ. প্রধান বিচারপতি আপিল বিভাগের নিবন্ধিত আইনজীবীদের অগ্রাধিকার ও সুপারিশের ভিত্তিতে উচ্চ আদালতে বিচারক হিসেবে নিয়োগ দিতে পারবেন। তবে উচ্চ আদালতে বৃহৎ পরিসরে সততা ও আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতা আছে এমন নিবন্ধিত আইনজীবীর ক্ষেত্রে নিয়োগ বিবেচনা করা যেতে পারে। ছয়. জেলা ও দায়রা জজ আদালতে তিন বছরের কম অভিজ্ঞতাসম্পন্ন বিচারককে উচ্চ আদালতের বিচারক হিসেবে নিয়োগের জন্য বিবেচনা করা উচিত হবে না। সাত. অধস্তন আদালত থেকে নিয়োগের ক্ষেত্রে প্রধান যোগ্যতা হওয়া উচিত সততা। তবে মনে রাখা উচিত যে, একজন ব্যক্তি উচ্চ মেধাসম্পন্ন কিন্তু সে সৎ না। সে ক্ষেত্রে তাঁকে যেকোনো প্রতিষ্ঠানে নিয়োগ দেওয়া হলে তা হবে এক ধরনের বিশ্বাসঘাতকতা। সুপারিশকৃত ব্যক্তির শিক্ষাগত যোগ্যতার সর্বোচ্চ প্রোফাইল, পেশাদারত্ব, সততা ও দক্ষতা থাকতে হবে। এর আগে গত ১৩ এপ্রিল বিচারক নিয়োগে নীতিমালা নিয়ে জারি করা রুল নিষ্পত্তি করে সংক্ষিপ্ত রায় দেন বিচারক।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat