×
ব্রেকিং নিউজ :
দীর্ঘ ১৬ বছর পর নিজেদের দ্বিতীয় শিরোপা ঘরে তুললো স্প্যানিশরা জুলাই সনদ বাস্তবায়ন নিয়ে বিতর্কের অবসান হওয়া উচিত : মির্জা ফখরুল সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দেশপ্রেম ও সততার সাথে দায়িত্ব পালন করতে হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ডেপুটি স্পিকারের সঙ্গে ইউএনডিপি প্রতিনিধিদলের সাক্ষাৎ বিশ্বকাপ ২০২৬ সম্প্রচারে খরচ প্রায় শূন্য, আগেরবার লেনদেন ছিল ১৪০ কোটির : তথ্যমন্ত্রী জুলাই সনদ বাস্তবায়ন নিয়ে বিতর্কের অবসান হওয়া উচিত : মির্জা ফখরুল ফেসবুকে মিথ্যা পোস্ট ও স্থানীয় পত্রিকায় মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ করানোর কারনে মানহানি মামলা ধর্মমন্ত্রীর ত্বরিত উদ্যোগে দেশে ফিরলেন আটকে পড়া ৩৩ উমরাহ যাত্রী এপ্রিলের মধ্যে বোয়িং চুক্তি, ডিসেম্বরের মধ্যে তৃতীয় টার্মিনাল চালুর লক্ষ্য: মিল্লাত উন্নয়ন কার্যক্রমের পাশাপাশি গণসচেতনতা বৃদ্ধি অত্যন্ত জরুরি : চসিক মেয়র
  • প্রকাশিত : ২০২৩-১০-১২
  • ৫৭০১০ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক
অপ্রয়োজনীয় সিজার বন্ধে নীতিমালা অনুসারে পদক্ষেপ নিতে নির্দেশ দিয়ে রায়ে দিয়েছেন হাইকোর্ট। সেই সাথে অপ্রয়োজনীয় সিজার বন্ধে নীতিমালাটি আগামী ছয় মাসের মধ্যে প্রচারের ব্যবস্থা করতে বলেছেন।
অপ্রয়োজনীয় সিজার কার্যক্রম বন্ধে জারি করা রুলের চূড়ান্ত শুনানি শেষে বিচারপতি নাইমা হায়দার ও বিচারপতি কাজী জিনাত হকের সমন্বয়ে গঠিত একটি হাইকোর্ট ডিভিশন বেঞ্চ আজ এই রায় দেন। আদালতে রিটকারীর পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার রাশনা ইমাম। আর রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি এটর্নি জেনারেল অমিত দাস গুপ্ত।
রিটের পক্ষের আইনজীবী ব্যারিস্টার রাশনা ইমাম সাংবাদিকদের বলেন, এই রায়ের ফলে অপ্রয়োজনীয় সিজার বন্ধে কঠোর ভাবে নীতিমালাটি মানতে হবে। আর এই নীতিমালায় অপ্রয়োজনীয় সিজার বন্ধে পর্যাপ্ত মনিটরিংয়ের কথা বলা আছে। এছাড়া জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং সিজারের ক্ষেত্রে সকল তথ্য সংরক্ষণের কথা বলা হয়েছে।
অপ্রয়োজনীয় সিজার রোধে একটি নীতিমালা তৈরিতে বিশেষজ্ঞ ও অংশীজনের সমন্বয়ে কমিটি গঠনের জন্য ২০১৯ সালের ৩০ জুন নির্দেশ দেন হাইকোর্ট। ২০২১ সালের ২১ নভেম্বর নীতিমালা করে হাইকোর্টে জমা দেয়া হয়।
আইনজীবী রাশনা ইমাম বলেন, ওয়ার্ল্ড হেলথ অরগানাইজেশন এর মতে সন্তান জন্মদানের ক্ষেত্রে শতকরা ১০ থেকে ১৫ শতাংশের বেশি সিজার পদ্ধতি কোনো দেশেরই প্রয়োজনীয় হতে পারে না। বাংলাদেশে দেখা যাচ্ছে এটি প্রায় ৩১ শতাংশ। বেসরকারি হাসপাতালগুলোতে ৮৩ শতাংশ এবং সরকারি হাসপাতালে এটার হার ৩৫ শতাংশ। এছাড়া এনজিও হাসপাতালগুলোতে ৩৯ শতাংশ। এটি আসলে এলার্মিং রাইজ, এ রেটটার বৃদ্ধি থামানোর জন্যই জনস্বার্থে মামলাটি আনা হয়। রাশনা ইমাম বলেন, গ্রামে-গঞ্জে যে প্রাইভেট হাসপাতাল আছে সেগুলো কোনো ধরনের সরকারি মনিটরিং ছাড়াই চালিয়ে যাচ্ছে। তারা সিজারিয়ান সেকশন করে যাচ্ছে। এটা থেকে অনেকের অমানবিক মৃত্যুও ঘটেছে।
বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদনযুক্ত করে জনস্বার্থে রিটটি করেন বাংলাদেশ লিগ্যাল এইড অ্যান্ড সার্ভিসেস ট্রাস্ট।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat