×
ব্রেকিং নিউজ :
ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ করায় স্পিকারকে ফুলেল শুভেচ্ছা শিক্ষার্থীদের পড়ালেখার পাশাপাশি খেলাধুলায়ও পারদর্শী করে গড়ে তুলতে চাই : শিক্ষামন্ত্রী সিংড়ায় জিয়া পরিষদের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি সিরাজগঞ্জে অনুদানের চেক বিতরণ মাদারীপুরে সপ্তাহব্যাপী বৃক্ষমেলার উদ্বোধন রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগপত্র গ্রহণ, ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব নিলেন স্পিকার হাম উপসর্গে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু গুরুতর অসুস্থতার কারণে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করেছেন যুক্তরাষ্ট্রে সর্বনিম্ন ১০ শতাংশ শুল্ক সুবিধা পেল বাংলাদেশ গণতন্ত্র শক্তিশালীকরণ ও অর্থনৈতিক পুনর্গঠনে কাজ করছে সরকার: মির্জা ফখরুল
  • প্রকাশিত : ২০২৩-০৪-০৪
  • ৫২৯ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক

আল্লাহর ফরজ বিধান হলো রোজা পালন করা। ইসলাম কখনো মানুষের শক্তি, সামর্থ্য ও সাধ্যের বাইরে কোনো বিধান চাপিয়ে দেওয়া হয়নি। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘আল্লাহ কারও ওপর এমন কষ্টদায়ক দায়িত্ব অর্পণ করেন না, যা তার সাধ্যাতীত।’ (সুরা বাকারা : ২৮৬) কিন্তু অতিশয় বৃদ্ধের জন্য কি রোজা পালন করা জরুরি?

রোগের কারণে ডাক্তার যদি বলে, রোজার কারণে রোগের মাত্রা বৃদ্ধি পেতে পারে বা সুস্থতা বিলম্বিত হতে পারে, তাহলে রোজা ভাঙা যায়। কিন্তু সামান্য অসুখ, যেমন—মাথাব্যথা, সর্দি, কাশি অনুরূপ কোনো সাধারণ রোগ-বালাইয়ের কারণে রোজা ভঙ্গ করা জায়েজ নয়। আবার এমন অতিশয় বৃদ্ধ যার রোজা রাখার সক্ষমতা নেই। রোজা রাখলে প্রাণনাশের হুমকি থাকতে পারে, তার জন্য রোজা বাধ্যতামূলক নয়।

রোজা পালনে রোগ বৃদ্ধি পেলে পরহেজগারি মনে করে রোজা পালন করা অনুচিত। এ অবস্থায় রোজা ভঙ্গ করা জরুরি। আল্লাহতায়ালা বলেন, ‘তোমরা তোমাদের নিজেদের হত্যা কোরো না। নিঃসন্দেহে আল্লাহ তোমাদের প্রতি অতিশয় দয়ালু।’ (সুরা নিসা : ২৯)।

মনে রাখতে হবে, রোগের কারণে যেসব রোজা ভঙ্গ হয়, সেগুলো পরে একটির বদলে একটি করে কাজা করে নিতে হবে। আর অতিশয় বৃদ্ধের জন্য রোজা পালন করা জরুরি নয়। ওই ব্যক্তি অন্য কাউকে দিয়ে কাজা আদায় করাবে বা ফিদয়া দেবে। প্রতিটি রোজার জন্য একজন মিসকিনকে এক বেলা খাবার খাওয়াবে। এ প্রসঙ্গে আল্লাহতায়ালা বলেন, ‘শক্তিহীনদের কর্তব্য হচ্ছে ফিদয়া দেওয়া, এটা একজন মিসকিনকে অন্নদান করা। ’ (সুরা বাকারা : ১৮৪)।

মৃত্যুমুখী বৃদ্ধলোক অথবা এমন রোগে আক্রান্ত হলে, যা থেকে সুস্থ হওয়ার সম্ভাবনা নেই, এমন অক্ষম ব্যক্তি প্রতিটি রোজার পরিবর্তে পৌনে দুই সের গম (ফিতরার পরিমাণ) অথবা তৎপরিমাণ মূল্য আদায় করবে। ইসলামের পরিভাষায় এটাকে ফিদয়া বলা হয়। (জাওয়াহিরুল ফিকাহ : ১/২৯)

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat