×
ব্রেকিং নিউজ :
দীর্ঘ ১৬ বছর পর নিজেদের দ্বিতীয় শিরোপা ঘরে তুললো স্প্যানিশরা জুলাই সনদ বাস্তবায়ন নিয়ে বিতর্কের অবসান হওয়া উচিত : মির্জা ফখরুল সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দেশপ্রেম ও সততার সাথে দায়িত্ব পালন করতে হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ডেপুটি স্পিকারের সঙ্গে ইউএনডিপি প্রতিনিধিদলের সাক্ষাৎ বিশ্বকাপ ২০২৬ সম্প্রচারে খরচ প্রায় শূন্য, আগেরবার লেনদেন ছিল ১৪০ কোটির : তথ্যমন্ত্রী জুলাই সনদ বাস্তবায়ন নিয়ে বিতর্কের অবসান হওয়া উচিত : মির্জা ফখরুল ফেসবুকে মিথ্যা পোস্ট ও স্থানীয় পত্রিকায় মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ করানোর কারনে মানহানি মামলা ধর্মমন্ত্রীর ত্বরিত উদ্যোগে দেশে ফিরলেন আটকে পড়া ৩৩ উমরাহ যাত্রী এপ্রিলের মধ্যে বোয়িং চুক্তি, ডিসেম্বরের মধ্যে তৃতীয় টার্মিনাল চালুর লক্ষ্য: মিল্লাত উন্নয়ন কার্যক্রমের পাশাপাশি গণসচেতনতা বৃদ্ধি অত্যন্ত জরুরি : চসিক মেয়র
  • প্রকাশিত : ২০১৯-০৮-২৬
  • ৩৪৭ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক
যুদ্ধাপরাধে আসামী ফিরোজ খাঁ’র মামলার রায় কাল

মুক্তিযুদ্ধকালীন মানবতাবিরোধী অপরাধ তথা যুদ্ধাপরাধে অভিযুক্ত মামলায় রাজশাহীর পুঠিয়ার মো. আব্দুস সামাদ (মুসা) ওরফে ফিরোজ খাঁ’র মামলার রায় মঙ্গলবার দেয়া হবে।
এর আগে গত ৮ জুলাই এ মামলায় প্রসিকিউশন ও আসমিপক্ষে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি শাহিনুর ইসলামের নেতৃত্বে তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল মামলাটি রায় ঘোষণার জন্য অপেক্ষমাণ রেখে (সিএভি) আদেশ দেয়। এটি হবে মুক্তিযুদ্ধকালীন মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ৩৯ তম রায়।
প্রসিকিউশনের পক্ষে মামলা পরিচালনা করেন প্রসিকিউটর ঋষিকেশ সাহা ও জাহিদ ইমাম। আসামি পক্ষে ছিলেন আইনজীবী আব্দুস সাত্তার পালোয়ান।
আসামির বিরুদ্ধে মামলার তদন্ত কর্মকর্তাসহ (আইও) প্রসিকিউশনের ১৫ জন সাক্ষী তাদের জবানবন্দি পেশ করেন। অন্যদিকে আসামির পক্ষে কোনো সাফাই (ডিফেন্স) সাক্ষী ছিল না।
প্রসিকিউটর জাহিদ ইমাম সাংবাদিকদের বলেন, চলতি বছরের ১৪ এপ্রিল এ মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তার জেরা শেষ হয়। এরপর গত ৪ জুলাই যুক্তিতর্ক শুরু হয়ে ৮ জুলাই শেষ হয়। ওইদিন মামলাটির রায় অপেক্ষমান রেখে ট্রাইব্যুনাল আদেশ দিয়েছিলেন। কাল রায়ের তারিখ ধার্য করা হয়েছে।
রাজশাহীর পুঠিয়ার বাঁশবাড়ী এলাকার মৃত আব্বাস আলীর ছেলে মো.আব্দুস সামাদ (মুসা) ওরফে ফিরোজ খাঁ মুক্তিযুদ্ধের আগে মুসলিম লীগের সমর্থক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধের সময় জামায়াতে ইসলামীর সমর্থক হিসেবে শান্তি কমিটির স্থানীয় নেতার নেতৃত্বে মানবতাবিরোধী অপরাধ করেন। আসামির বিরুদ্ধে মামলায় মুক্তিযুদ্ধকালে চারজন সাঁওতালসহ ১৫ জনকে হত্যা, ২১ জনকে নির্যাতন, ৮ থেকে ১০টি বাড়িঘর লুণ্ঠন এবং ৫০ থেকে ৬০টি বাড়িঘর অগ্নিসংযোগ করে ধ্বংসের অভিযোগ আনা হয়। এ মামলায় ২০১৭ সালে ২৪ জানুয়ারি ফিরোজ খাঁ’কে গ্রেফতার করা হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat