×
ব্রেকিং নিউজ :
দীর্ঘ ১৬ বছর পর নিজেদের দ্বিতীয় শিরোপা ঘরে তুললো স্প্যানিশরা জুলাই সনদ বাস্তবায়ন নিয়ে বিতর্কের অবসান হওয়া উচিত : মির্জা ফখরুল সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দেশপ্রেম ও সততার সাথে দায়িত্ব পালন করতে হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ডেপুটি স্পিকারের সঙ্গে ইউএনডিপি প্রতিনিধিদলের সাক্ষাৎ বিশ্বকাপ ২০২৬ সম্প্রচারে খরচ প্রায় শূন্য, আগেরবার লেনদেন ছিল ১৪০ কোটির : তথ্যমন্ত্রী জুলাই সনদ বাস্তবায়ন নিয়ে বিতর্কের অবসান হওয়া উচিত : মির্জা ফখরুল ফেসবুকে মিথ্যা পোস্ট ও স্থানীয় পত্রিকায় মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ করানোর কারনে মানহানি মামলা ধর্মমন্ত্রীর ত্বরিত উদ্যোগে দেশে ফিরলেন আটকে পড়া ৩৩ উমরাহ যাত্রী এপ্রিলের মধ্যে বোয়িং চুক্তি, ডিসেম্বরের মধ্যে তৃতীয় টার্মিনাল চালুর লক্ষ্য: মিল্লাত উন্নয়ন কার্যক্রমের পাশাপাশি গণসচেতনতা বৃদ্ধি অত্যন্ত জরুরি : চসিক মেয়র
  • প্রকাশিত : ২০১৯-০৭-১৫
  • ৩৫৯ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক
সুনামগঞ্জে নামছে বন্যার পানি

নিউজ ডেস্ক:- জেলায় গত ২৪ ঘন্টায় বৃষ্টি কম হওয়ায় পাহাড়ি ঢল ও কম নেমেছে ফলে বন্যার পানি নামতে শুরু করেছে।
কয়েক দিনের ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ী ঢলে সবচেয়ে বেশি বিপন্ন ছিলো বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার ৫ টি ইউনিয়নের মানুষ। এ উপজেলায় এক ফুটেরও বেশি পানি কমেছে।
উপজেলার দক্ষিণ বাদাঘাট ইউনিয়নের শ্রীধরপুর-সোনাপুর গ্রামের কৃপেশ দাস ও তার স্ত্রী অর্চনা রানী দাস বললেন, হাঁটু সমান পানি ছিল ঘরে। রোববার দুপুরের দিকে পানি নেমেছে, কিন্তু ঘরে কাদা, চুলোয় পানি, আজকে টিনের চুলোয় রান্না করতে হবে। পায়খানা বানের তোড়ে ভেঙে গেছে। বাঁশ দিয়ে একটি ঝুলন্ত পায়খানা (খোলা পায়খানা) বানিয়েছি। ঘরে হাঁটু সমান পানি যখন ছিল তখন ৩ মেয়ে, ১ ছেলে নিয়ে বাড়িতে ছিলাম। এখনো দুর্ভোগ যতই হোক, ঘরেই থাকবো।
এ উপজেলার ধনপুর ইউনিয়নের পা-ারগাঁও গ্রামের সুজিত চন্দ্র দাস ও শুক্লা রানী দাসের ঘর থেকেও রোববার পানি নেমেছে। তবে পায়খানার উপরে এখনো হাঁটু সমান পানি। তারা যেভাবে পারছেন সেভাবেই কোনভাবে পায়খানা-প্রশ্রাব সারছেন।
সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার মোহনপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. নুরুল হক বলেন, ভিটার পানি নামছে অনেকের, কিন্তু দুর্ভোগ বাড়ছে। রান্না-বান্না করা এবং পায়খানা-প্রশ্রাব করারও সমস্যা রয়েছে।
দোয়ারা, জামালগঞ্জ, তাহিরপুরেও একই ধরনের সমস্যা। অন্যদিকে, সুনামগঞ্জ-হালুয়ারঘাট সড়কের একাংশ ভেঙে যাওয়ায় এবং এ সড়ক উপচে পানি সুনামগঞ্জ শহরের পূর্বাঞ্চলের হাছননগর, ওয়েজখালী, কালীপুর, পূর্ব নতুনপাড়া, শান্তিবাগ এবং সদর উপজেলার কোরবাননগর ও মোল্লাপাড়া ইউনিয়নের
নি¤œাঞ্চলে প্রবেশ করছে।
জেলার ছাতক, দিরাই, শাল্লা, জামালগঞ্জ ও ধর্মপাশা উপজেলার নি¤œাঞ্চলে কিছু এলাকায় পোনি নেমে আসছে।
বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার সমীর বিশ্বাস জানালেন, বিশ্বম্ভরপুরের ৬টি আশ্রয় কেন্দ্রের মধ্যে ৫ টি থেকে বন্যর্তরা বাড়ি ফিরে গেছেন। রোববার দুপুর পর্যন্ত এ উপজেলায় এক ফুটের মতো পানি কমেছে। দুর্গতদের মধ্যে ত্রাণ বিতরণ অব্যাহত রয়েছে।
জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা ফরিদুল হক জানালেন, নতুন কোন এলাকা প্লাবিত হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি। পানিবন্দির সংখ্যা এক লাখ ৪ হাজারেই আছে। দুর্গতদের জন্য বরাদ্দকৃত ৫০০ টন চালের ৪১০ টন ইতিমধ্যে বন্টন হয়েছে। শুকনো খাবার ৫ হাজার কার্টুন বন্টন করা হয়েছে। রোববার আরও ৪ হাজার কার্টুন এসেছে। নগদ টাকা আগে এসেছিল ৩ লাখ টাকা, বন্টন হয়েছে আড়াই লাখ। আরও ১০ লাখ টাকা এসেছে, আগের ৫০ হাজার টাকা এবং নতুন আসা ১০ লাখসহ সাড়ে ১০ লাখ টাকা মওজুদ আছে।
সুনামগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আবু বকর সিদ্দিক ভুইয়া জানালেন, সুরমা নদীর পানি শনিবার থেকে রোববার বিকাল ৩ টা পর্যন্ত ১১ সেন্টিমিটার কমেছে। বৃষ্টিপাত কম হওয়ায় নদ নদীর পানি কমতে শুরু করেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat