×
ব্রেকিং নিউজ :
ধর্মমন্ত্রীর ত্বরিত উদ্যোগে দেশে ফিরলেন আটকে পড়া ৩৩ উমরাহ যাত্রী এপ্রিলের মধ্যে বোয়িং চুক্তি, ডিসেম্বরের মধ্যে তৃতীয় টার্মিনাল চালুর লক্ষ্য: মিল্লাত উন্নয়ন কার্যক্রমের পাশাপাশি গণসচেতনতা বৃদ্ধি অত্যন্ত জরুরি : চসিক মেয়র রাজবাড়ীতে জেলেদের মাঝে চাল বিতরণ সাতক্ষীরায় পেশাজীবী গাড়ি চালকদের দক্ষতা ও সচেতনতা বৃদ্ধিমূলক কর্মশালা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদের বৈঠক নিম্ন আয়ের মানুষের আবাসন সমস্যা সমাধানে সরকারের বহুমুখী উদ্যোগ : গৃহায়ন মন্ত্রী উপসাগরীয় সংঘাত নিরসনে শান্তিপূর্ণ সমাধানের আহ্বান বাংলাদেশ-ওমানের বাংলাদেশ-ভারত অংশীদারিত্বে চিকিৎসা পর্যটনে গতি আসবে সরকারের এক ইঞ্চি জমির রাজস্বও ফাঁকি দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে না : ভূমি প্রতিমন্ত্রী
  • প্রকাশিত : ২০১৯-০১-২০
  • ২৬০ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক
প্লাস্টিক খাতকে ২০২১ সালে ৬০ বিলিয়ন রপ্তানির লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে হবে : বাণিজ্যমন্ত্রী
নিউজ ডেস্ক:–বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুন্শি বলেছেন, সরকার ঘোষিত ২০২১ সালের মধ্যে ৬০ বিলিয়ন রপ্তানির লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে দেশের প্লাস্টিক খাতকে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে হবে। প্লাস্টিক বাংলাদেশের একটি সম্ভাবনাময় খাত। দেশে ও আন্তর্জাতিক বাজারে প্লাস্টিকের চাহিদা দিন দিন বাড়ছে। দেশের তৈরি পোশাকসহ অনেক শিল্প কারখানায় প্লাস্টিক জাতীয় পণ্য আমদানি করতে হতো। আজ বাংলাদেশ প্লাস্টিক পণ্যে স্বয়ংসম্পন্ন। দেশের চাহিদা পূরণ করে এখন বিদেশে রপ্তানি করা হচ্ছে। বাণিজ্যমন্ত্রী আজ ঢাকায় রেডিসন হোটেলে বাংলাদেশ প্লাস্টিক গুডস এন্ড ম্যানুফ্যাকচারার্স এন্ড এক্সপোর্টার্স এসোসিয়েশন আয়োজিত ৪ দিনব্যাপী ১৪তম বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক প্লাস্টিক, প্যাকেজিং এন্ড প্রিন্টিং ইন্ডাস্ট্রিয়াল ফেয়ার এর সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন। বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, দেশে এখন প্রায় ২৫ হাজার কোটি টাকা মূল্যের প্লাস্টিক পণ্য উৎপাদন এবং বিক্রয় হচ্ছে। বিভিন্ন খাতের মাধ্যমে প্লাস্টিক পণ্য রপ্তানি হচ্ছে ৩ হাজার কোটি টাকা এবং সরাসরি রপ্তানি হচ্ছে ১ হাজার কোটি টাকা। রপ্তানিতে বাংলাদেশের অবস্থান ১২তম। এ খাতে ১২ লাখের বেশি মানুষ কাজ করার সুযোগ পাচ্ছে। দেশের প্লাস্টিক সেক্টরকে সরকার গুরুত্বপূর্ণ সেক্টর হিসেবে বিবেচনা করছে। টিপু মুন্শি বলেন, দেশের প্লাস্টিক খাতকে গতিশীল করতে সরকার সব ধরনের সহযোগিতা প্রদান করবে। এখন প্লাস্টিক পণ্য রপ্তানিতে ১০ ভাগ হারে নগদ আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে। দেশে এ মুহুর্তে মাথাপিছু ৫ থেকে ৭ কেজি প্লাস্টিক পণ্য ব্যবহৃত হচ্ছে, আগামী ২০৩০ সালে এর ব্যবহারের পরিমাণ ৩৫ কেজি দাঁড়াবে। সে লক্ষ্যকে সামনে রেখে আমাদের সক্ষমতা বৃদ্ধি করতে হবে। এবারের মেলায় বিশে^র ১৯টি দেশের ৪৬০টি কোম্পানির ৭৮০টি প্রতিষ্ঠান অংশ নেয়। বাংলাদেশ প্লাস্টিক গুডস ম্যানুফ্যাকচারার্স এন্ড এক্সপোর্টার্স এসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট মোঃ জসিম উদ্দিনের সভাপতিত্বে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন লুনা প্লাস্টিক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের ব্যাবস্থাপনা পরিচালক এ এস এম কামাল উদ্দিন, ওয়ার্কার্স ট্রেড এন্ড মার্কেটিং এর প্রেসিডেন্ট জুডি ওয়াং, স্বাগত বক্তব্য রাখেন এসোসিয়েশনের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট গিয়াস উদ্দিন আহমেদ।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat