×
ব্রেকিং নিউজ :
দাঁড়িপাল্লা কেবল একটি প্রতীক নয়, এটি ন্যায়বিচারের অঙ্গীকার: ড. মাসুদ তারেক রহমানের সফর উপলক্ষে রংপুরবাসীর মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা কুড়িগ্রামে পোস্টাল ব্যালট বাক্সের লক উদ্বোধন, ১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ভোটগ্রহণ দিনাজপুরে ৬টি আসনে ৩৭ প্লাটুন বিজিবি মোবাইল ও স্ট্রাইকিং মোতায়ন ২৩ মার্চ ‘বিএনসিসি দিবস’ ঘোষণার প্রস্তাব অনুমোদন নির্বাচনি প্রচারণায় ব্যবহৃত পোষ্টার মুদ্রণ থেকে বিরত থাকতে ছাপাখানাকে ইসির নির্দেশ খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে ভারতের পার্লামেন্টে শোক প্রস্তাব গৃহীত শেরপুরের ঘটনায় ইউএনও এবং ওসিকে প্রত্যাহার: ইসি সচিব জুলাই সনদের মূল কথা হলো মানুষের অধিকার বুঝে দেয়া : আলী রীয়াজ ব্যবসা-বাণিজ্য সহজ ও রপ্তানি বৃদ্ধিতে আমদানি নীতি আদেশ ২০২৫-২০২৮ অনুমোদন
  • প্রকাশিত : ২০১৯-০১-২০
  • ২৫৭ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক
প্লাস্টিক খাতকে ২০২১ সালে ৬০ বিলিয়ন রপ্তানির লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে হবে : বাণিজ্যমন্ত্রী
নিউজ ডেস্ক:–বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুন্শি বলেছেন, সরকার ঘোষিত ২০২১ সালের মধ্যে ৬০ বিলিয়ন রপ্তানির লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে দেশের প্লাস্টিক খাতকে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে হবে। প্লাস্টিক বাংলাদেশের একটি সম্ভাবনাময় খাত। দেশে ও আন্তর্জাতিক বাজারে প্লাস্টিকের চাহিদা দিন দিন বাড়ছে। দেশের তৈরি পোশাকসহ অনেক শিল্প কারখানায় প্লাস্টিক জাতীয় পণ্য আমদানি করতে হতো। আজ বাংলাদেশ প্লাস্টিক পণ্যে স্বয়ংসম্পন্ন। দেশের চাহিদা পূরণ করে এখন বিদেশে রপ্তানি করা হচ্ছে। বাণিজ্যমন্ত্রী আজ ঢাকায় রেডিসন হোটেলে বাংলাদেশ প্লাস্টিক গুডস এন্ড ম্যানুফ্যাকচারার্স এন্ড এক্সপোর্টার্স এসোসিয়েশন আয়োজিত ৪ দিনব্যাপী ১৪তম বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক প্লাস্টিক, প্যাকেজিং এন্ড প্রিন্টিং ইন্ডাস্ট্রিয়াল ফেয়ার এর সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন। বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, দেশে এখন প্রায় ২৫ হাজার কোটি টাকা মূল্যের প্লাস্টিক পণ্য উৎপাদন এবং বিক্রয় হচ্ছে। বিভিন্ন খাতের মাধ্যমে প্লাস্টিক পণ্য রপ্তানি হচ্ছে ৩ হাজার কোটি টাকা এবং সরাসরি রপ্তানি হচ্ছে ১ হাজার কোটি টাকা। রপ্তানিতে বাংলাদেশের অবস্থান ১২তম। এ খাতে ১২ লাখের বেশি মানুষ কাজ করার সুযোগ পাচ্ছে। দেশের প্লাস্টিক সেক্টরকে সরকার গুরুত্বপূর্ণ সেক্টর হিসেবে বিবেচনা করছে। টিপু মুন্শি বলেন, দেশের প্লাস্টিক খাতকে গতিশীল করতে সরকার সব ধরনের সহযোগিতা প্রদান করবে। এখন প্লাস্টিক পণ্য রপ্তানিতে ১০ ভাগ হারে নগদ আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে। দেশে এ মুহুর্তে মাথাপিছু ৫ থেকে ৭ কেজি প্লাস্টিক পণ্য ব্যবহৃত হচ্ছে, আগামী ২০৩০ সালে এর ব্যবহারের পরিমাণ ৩৫ কেজি দাঁড়াবে। সে লক্ষ্যকে সামনে রেখে আমাদের সক্ষমতা বৃদ্ধি করতে হবে। এবারের মেলায় বিশে^র ১৯টি দেশের ৪৬০টি কোম্পানির ৭৮০টি প্রতিষ্ঠান অংশ নেয়। বাংলাদেশ প্লাস্টিক গুডস ম্যানুফ্যাকচারার্স এন্ড এক্সপোর্টার্স এসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট মোঃ জসিম উদ্দিনের সভাপতিত্বে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন লুনা প্লাস্টিক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের ব্যাবস্থাপনা পরিচালক এ এস এম কামাল উদ্দিন, ওয়ার্কার্স ট্রেড এন্ড মার্কেটিং এর প্রেসিডেন্ট জুডি ওয়াং, স্বাগত বক্তব্য রাখেন এসোসিয়েশনের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট গিয়াস উদ্দিন আহমেদ।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat