×
ব্রেকিং নিউজ :
নির্বাচন–পরবর্তী দুই শতাধিক সহিংসতায় নিহত ৩, আহত তিন শতাধিক: এইচআরএসএস অন্তর্বর্তী সরকারের সময় মত প্রকাশের জন্য কোনো সাংবাদিককে জেলে যেতে হয়নি: তথ্য উপদেষ্টা ১৮ ফেব্রুয়ারি থেকে মাধ্যমিক ও নিম্ন মাধ্যমিক স্কুল বন্ধের নির্দেশ হাইকোর্টের কানাডার প্রতি ‘হস্তক্ষেপ দূর’ করতে সহযোগিত জোরদারের আহ্বান চীনের ওসমান হাদি হত্যা: সিআইডি’র তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল ১৯ ফেব্রুয়ারি ট্রাম্পের লড়াইয়ে ইউরোপকে পাশে চান রুবিও আজ ডা. শফিকুর ও নাহিদের বাসায় যাচ্ছেন তারেক রহমান মিনেসোটায় অভিবাসী ধরপাকড় ‘স্বৈরতান্ত্রিক আচরণ’ : ওবামা মঙ্গলবার সকালে সংসদ সদস্য ও বিকেলে মন্ত্রিসভার শপথ: আইন উপদেষ্টা এআইকে ‘অস্ত্র’ বানাচ্ছে সাইবার অপরাধীরা, মোকাবিলায় ইন্টারপোলের নীরব যুদ্ধ
  • প্রকাশিত : ২০১৮-০৫-০৯
  • ৪৪৭ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক
এসএসসিতে দুধ বিক্রেতার মেয়ে আছিয়ার সাফল্য
নিজস্ব প্রতিনিধি:-   “ইচ্ছা থাকলে যেমন উপায় হয়, তেমনি চেষ্টা করলে কখনও তা বিফলে যায় না” সেটাই প্রমাণ করে দেখাল ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলার কাতলাশুর গ্রামের দুধ বিক্রেতা ভূমিহীন বর্গাচাষী আব্দুস সালামের মেয়ে আছিয়া খানম। আছিয়া এবার এসএসসি পরীক্ষায় উপজেলার হেলেঞ্চাহাটি কুঠুরাকান্দি উচ্চ বিদ্যালয় হতে বিজ্ঞান বিভাগ থেকে গ্লোল্ডেন জিপিএ ফাইভ পেয়েছে।
আছিয়ার বাবা আব্দুস সালাম জানান, তার দুইটা গাভী। প্রতিদিন ৮ কেজি দুধ দেয়। চার কেজি দুধের টাকা আছিয়ার পড়ার জন্য খরচ করেন আর বাকি চার কেজি দুধের টাকা দিয়ে গরুর খাবার কেনা হয়। আছিয়ার মা নাজমা বেগম (৪০) বলেন, আছিয়া স্কুল থেকে ফিরে আমার কাজে সহযোগিতা কর। পাশাপাশি তার বাবা বাড়িতে না থাকলে দুধেল গরু গুলোকে দেখাশোনা করে। জানা যায়, অন্যের জমিতে ১টি টিনের ঘরতুলে বসবাস করছেন ভূমিহীন এই বর্গাচাষী আব্দুস সালাম। বর্গাচাষ করে যে ফসল পান তা দিয়ে কোনো মতে সংসার চলে তাদের। আছিয়া ছাড়াও এই বর্গাচাষীর আরো দুটি কন্যা সন্তান রয়েছে। তারা হলো, মাসুরা খানম (১৪) ও জুবাইদা খানম (১০)। মাসুরা পাড়াগ্রাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৮ম শ্রেণিতে পড়াশোনা করে ও জুবাইদা  চর কাতলাশুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যলয়ের ৪র্থ শ্রেণিতে পড়ে। তাদের ভরণপোষণ এবং পড়ালেখার খরচ দিতে প্রতিনিয়ত হিমশিম খেতে হয় বলে জানান আব্দুস সালাম। আছিয়ার এ সাফল্যে আবেগ আপ্লুত পিতা আব্দুস সালাম বলেন, আমি ওরে ঠিকমত ভালো খাবার ও পড়ার খরচ দিতি পারি নাই। তারপরেও ওর এ সাফল্য। আল্লাহ সহায় থাকলে তিনি তার শেষ রক্তবিন্দু দিয়ে হলেও আছিয়াকে মানুষ করার চেষ্টা করবেন বলে জানান। এ সময় তিনি আছিয়ার পড়ালেখার খরচ মেটাতে দেশের বিত্তবানদের সহয়তাও কামনা করেন। হেলেঞ্চাহাটি কুঠুরাকান্দী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. গোলাম রসুল বলেন, আমার বিদ্যালয়ের সবচেয়ে শান্ত এবং ভালো মেয়ে আছিয়া। ওর প্রতি আমার দোয়া রইল। আছিয়া বলেন, এ কৃতিত্বের দাবিদার আমার শিক্ষকবৃন্দ এবং বাবা মা। আছিয়ার ইচ্ছা সে ভবিষ্যতে ডাক্তার অথবা প্রশাসনিক কর্মকর্তা হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat