×
ব্রেকিং নিউজ :
দাঁড়িপাল্লা কেবল একটি প্রতীক নয়, এটি ন্যায়বিচারের অঙ্গীকার: ড. মাসুদ তারেক রহমানের সফর উপলক্ষে রংপুরবাসীর মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা কুড়িগ্রামে পোস্টাল ব্যালট বাক্সের লক উদ্বোধন, ১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ভোটগ্রহণ দিনাজপুরে ৬টি আসনে ৩৭ প্লাটুন বিজিবি মোবাইল ও স্ট্রাইকিং মোতায়ন ২৩ মার্চ ‘বিএনসিসি দিবস’ ঘোষণার প্রস্তাব অনুমোদন নির্বাচনি প্রচারণায় ব্যবহৃত পোষ্টার মুদ্রণ থেকে বিরত থাকতে ছাপাখানাকে ইসির নির্দেশ খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে ভারতের পার্লামেন্টে শোক প্রস্তাব গৃহীত শেরপুরের ঘটনায় ইউএনও এবং ওসিকে প্রত্যাহার: ইসি সচিব জুলাই সনদের মূল কথা হলো মানুষের অধিকার বুঝে দেয়া : আলী রীয়াজ ব্যবসা-বাণিজ্য সহজ ও রপ্তানি বৃদ্ধিতে আমদানি নীতি আদেশ ২০২৫-২০২৮ অনুমোদন
  • প্রকাশিত : ২০২৫-০৩-০৩
  • ২৩৪৩৪৫২২ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক
বন্দর নগরীর খাতুনগঞ্জে রমজানের বাজার মনিটরিং করেছেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন ও জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম। 
মেয়র বলেন, তারা (ব্যবসায়ী) চায় রাতারাতি ধনী হয়ে যেতে। রোজার এক মাসেই তারা পুরো বছরের আয় একসঙ্গে করতে পাগল হয়ে যায়। তিনি বলেন, আমরা বাজার মনিটরিং করছি। এ মনিটরিং অব্যাহত থাকবে। 
সোমবার দুপুরে চট্টগ্রাম নগরের বৃহত্তম পাইকারি বাজার খাতুনগঞ্জ পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে মেয়র এ কথা বলেন। এ সময় সঙ্গে ছিলেন চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক (ডিসি) ফরিদা খানম।
চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জে ব্যবসায়ীদের সতর্ক করে সিটি মেয়র বলেন, বাজারে অস্থিরতা কমাতে কঠোর অবস্থানে সিটি কর্পোরেশন। সারা পৃথিবীর মুসলিম রাষ্ট্রগুলোতে রোজা আসলে ভর্তুকি দিয়ে পণ্য বিক্রি করে। কারণ তারা তা সওয়াব হিসেবে দেখে। আর আমাদের দেশে রোজা এলে ব্যবসায়ীদের মধ্যে এক ধরনের অস্থিরতা দেখা দেয়। কিছু অসাধু ব্যবসায়ী সুযোগ খুঁজে কীভাবে আরো টাকা ইনকাম করা যায়। আজকে আমরা দেখছি এখানে ভোজ্য তেল উধাও হয়ে গেছে। ভোজ্য তেল কোনো জায়গায় পাওয়া যাচ্ছে না।
বাজার মনিটরিং করার কথা জানিয়ে চসিক মেয়র বলেন, কয়েকদিন ধরে সাধারণ মানুষের অভিযোগ ছিল ভোজ্যতেল বাজার থেকে উধাও হয়ে গেছে। আর যেগুলো বিক্রি হচ্ছে তা লিটার প্রায় ১৮০ থেকে ২০০ টাকার ওপরে। সে কারণে আজকে আমরা এখানে এসেছি।
অভিযানে অভিযোগের সত্যতা মিলেছে জানিয়ে তিনি বলেন, অভিযানে এসে সত্যতা মিলেছে এখানে ভোজ্যতেল মোটেও পাওয়া যাচ্ছে না। ভোজ্যতেল যেগুলো দেখেছি সেগুলো ল্যাব টেস্টের জন্য নিয়েছি। এগুলো পরীক্ষা করে দেখা হবে; এগুলো আদৌ ভোজ্যতেল কিনা।
মেয়র বলেন, আমরা ব্যবসায়ীদেরকে বলছি- প্রত্যেকটা জায়গায় যাতে রেট চার্ট দেওয়া হয় এবং আমাদের জেলা প্রশাসক মহোদয় উনার ম্যাজিস্ট্রেটসহ এখানে আছেন। যদি কোন ধরনের অসঙ্গতি আমরা দেখি-তাহলে জরিমানা ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, ‘তেল ব্যবসায়ী, উৎপাদনকারীসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে নিয়ে আগামীকাল (মঙ্গলবার) বসবো। তারা যাতে অনতিবিলম্বে বাজারজাত করে দাম কমিয়ে আনে। এ ব্যাপারে শক্তভাবে অ্যাকশন প্ল্যান নেওয়া হবে।’
পরিদর্শনে উপস্থিত ছিলেন- অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. কামরুজ্জামান, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সৈয়দ মাহবুবুল হক, সহকারী কমিশনার মো. ইসরাফিল জাহান, শাকিব শাহরিয়ার, রাইয়ান ফেরদৌস, ফারজানা রহমান মীম, আসিফ জাহান সিকদার, সুমন মণ্ডল অপু, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাসুমা আক্তার কণা এবং কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আব্দুল করিম প্রমুখ। 

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat