×
ব্রেকিং নিউজ :
দাঁড়িপাল্লা কেবল একটি প্রতীক নয়, এটি ন্যায়বিচারের অঙ্গীকার: ড. মাসুদ তারেক রহমানের সফর উপলক্ষে রংপুরবাসীর মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা কুড়িগ্রামে পোস্টাল ব্যালট বাক্সের লক উদ্বোধন, ১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ভোটগ্রহণ দিনাজপুরে ৬টি আসনে ৩৭ প্লাটুন বিজিবি মোবাইল ও স্ট্রাইকিং মোতায়ন ২৩ মার্চ ‘বিএনসিসি দিবস’ ঘোষণার প্রস্তাব অনুমোদন নির্বাচনি প্রচারণায় ব্যবহৃত পোষ্টার মুদ্রণ থেকে বিরত থাকতে ছাপাখানাকে ইসির নির্দেশ খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে ভারতের পার্লামেন্টে শোক প্রস্তাব গৃহীত শেরপুরের ঘটনায় ইউএনও এবং ওসিকে প্রত্যাহার: ইসি সচিব জুলাই সনদের মূল কথা হলো মানুষের অধিকার বুঝে দেয়া : আলী রীয়াজ ব্যবসা-বাণিজ্য সহজ ও রপ্তানি বৃদ্ধিতে আমদানি নীতি আদেশ ২০২৫-২০২৮ অনুমোদন
  • প্রকাশিত : ২০১৮-০৪-২৩
  • ১০৯৭ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক
ধর্ষণ সম্পর্কে ইসলামে সুনির্দিষ্ট কোনো সংজ্ঞা নির্ণয় করা হয়নি। তবে বিবাহ ছাড়া যে কোনো যৌন সম্পর্কই ইসলামে মারাত্মক অপরাধ। এবার ধর্ষনের অপরাধ ঠেকাতে ভারত সরকার মৃত্যুদণ্ডের বিধান বাস্তবায়ন করতে যাচ্ছে! যদিও ইসলামে বিবাহ বহির্ভূত যৌন অপরাধ তথা ব্যভিচারের শাস্তি একটু ভিন্ন। ব্যভিচারী যদি বিবাহিত হয় তবে তাকে পাথর মেরে মৃত্যুদণ্ড দেয়া। আর যদি ব্যভিচারী অবিবাহিত হয়ে তবে একশত দোররা বা বেত্রাঘাত করা। এতে ব্যভিচারী বাঁচতেও পারে আবার মৃত্যুবরণও করতে পারে। এ বিধান নারী-পুরুষ উভয় ব্যভিচারীর জন্য নির্ধারিত। বিভিন্ন তথ্যে জানা গেছে, ভারত সরকার ১২ বছরের নিচের কোনো শিশুকে ধর্ষণ করা হলে শাস্তি স্বরুপ ধর্ষককে মৃত্যুদণ্ডের বিধান চালু করতে যাচ্ছে। তা যদি বাস্তবায়ন হয় তবে নিঃসন্দেহে ভারতে তা অনেক বেশি কমে আসবে। সমাজের শান্তি ও নিরাপত্তার লক্ষ্যে আজ থেকে ১৪০০ বছর আগে আল্লাহ তাআলা কুরআনুল কারিমে ধর্ষণের শাস্তি প্রনয়ন করেছেন। আর তা বাস্তবায়নের পথে অগ্রসর হচ্ছে ভারত। ভারতে ধর্ষন অপরাধের জন্য শাস্তিস্বরূপ মৃত্যুদণ্ড নিশ্চিত হলে তা সমাজে নিঃসন্দেহে শান্তি ও নিরাপত্তা আসবে। ধর্ষণের অপরাধও কমে আসবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat