×
ব্রেকিং নিউজ :
নির্বাচন–পরবর্তী দুই শতাধিক সহিংসতায় নিহত ৩, আহত তিন শতাধিক: এইচআরএসএস অন্তর্বর্তী সরকারের সময় মত প্রকাশের জন্য কোনো সাংবাদিককে জেলে যেতে হয়নি: তথ্য উপদেষ্টা ১৮ ফেব্রুয়ারি থেকে মাধ্যমিক ও নিম্ন মাধ্যমিক স্কুল বন্ধের নির্দেশ হাইকোর্টের কানাডার প্রতি ‘হস্তক্ষেপ দূর’ করতে সহযোগিত জোরদারের আহ্বান চীনের ওসমান হাদি হত্যা: সিআইডি’র তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল ১৯ ফেব্রুয়ারি ট্রাম্পের লড়াইয়ে ইউরোপকে পাশে চান রুবিও আজ ডা. শফিকুর ও নাহিদের বাসায় যাচ্ছেন তারেক রহমান মিনেসোটায় অভিবাসী ধরপাকড় ‘স্বৈরতান্ত্রিক আচরণ’ : ওবামা মঙ্গলবার সকালে সংসদ সদস্য ও বিকেলে মন্ত্রিসভার শপথ: আইন উপদেষ্টা এআইকে ‘অস্ত্র’ বানাচ্ছে সাইবার অপরাধীরা, মোকাবিলায় ইন্টারপোলের নীরব যুদ্ধ
  • প্রকাশিত : ২০১৮-০৪-০৯
  • ৮৩২ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিনিধি:-ঢাকার ধামরাইয়ে চলন্ত বাসে এক নারী পোশাককর্মী ধর্ষণের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। পুলিশ ওই বাস থেকে তাঁকে উদ্ধার করে। গতকাল রোববার রাত ৯টা থেকে ১১টার মধ্যে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে পুলিশ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে। তাঁরা হলেন বাসের চালক বাবু মল্লিক (২৪), গাড়ির মিস্ত্রি আবদুল আজিজ (৩০), বাসের সুপারভাইজার বলরাম (২০) এবং তাঁদের সহযোগী সোহেল (২২) ও মকবুল হোসেন (৩৮)। পুলিশ জানায়, ধামরাইয়ে শ্রীরামপুরে একটি পোশাক কারখানায় কাজ করেন ওই পোশাককর্মী। রাত নয়টার দিকে কারাখানা ছুটি হলে ওই নারী বাসের জন্য অপেক্ষা করছিলেন। তিনি থাকেন ধামরাইয়ের ইসলামপুরে। কারখানা থেকে দূরত্ব ২০ মিনিটের। এ সময় ঢাকাগামী যাত্রীসেবা পরিবহন নামের একটি বাস এলে এতে তিনি উঠে পড়েন। বাসটি শ্রীরামপুর থেকে পরের স্টেশনে কালামপুরে গেলে সব যাত্রী নেমে যায়। ওই পোশাককর্মী একাই থেকে যান। এ সুযোগে বাসের চালক বাবু ও মিস্ত্রি আবদুল আজিজ তাঁকে ধর্ষণ করেন। তখন বাস চালাচ্ছিলেন সোহেল। অন্যরা এই কর্মীকে হাত-পা ধরে রাখেন। এ সময় ওই সড়ক দিয়ে টহল পুলিশ যাচ্ছিল। তখন ওই নারীর চিৎকারে পুলিশ বাসটিকে থামানো সংকেত দেয়। কিন্তু চালকের আসনে যিনি ছিলেন, তিনি সংকেত অমান্য করে গাড়ি চালিয়ে যান। পুলিশ সাত কিলোমিটার ধাওয়া করে বাসটিকে ইসলামপুর থেকে আটক করে। এরপর ওই নারীকে সেখান থেকে উদ্ধার করে। ধামরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রিজাউল হক জানান, এ ঘটনায় ভুক্তভোগী ওই নারী মামলা করেছেন। বাস থেকে আটককৃত ব্যক্তিরা ধর্ষণের কথা স্বীকার করেছেন। তাঁদের সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে। আর ওই নারীকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। গত বছরের ২৫ আগস্ট বগুড়া থেকে ময়মনসিংহ যাওয়ার পথে বহুজাতিক কোম্পানির কর্মী রূপা খাতুন চলন্ত বাসে ধর্ষণের শিকার হয়েছিলেন। দুর্বৃত্তরা তাঁকে ধর্ষণের পর হত্যা করে টাঙ্গাইলের মধুপুর বন এলাকায় ফেলে যায়। এ ঘটনায় করা মামলার রায়ে আদালত বাসটির চালক হাবিবুর (৪৫), চালকের সহকারী শামীম (২৬), আকরাম (৩৫) ও জাহাঙ্গীরকে (১৯) ফাঁসির আদেশ দেন। আর বাসের সুপার ভাইজার সফর আলীকে (৫৫) সাত বছরের কারাদণ্ড দেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat