×
ব্রেকিং নিউজ :
ধর্মমন্ত্রীর ত্বরিত উদ্যোগে দেশে ফিরলেন আটকে পড়া ৩৩ উমরাহ যাত্রী এপ্রিলের মধ্যে বোয়িং চুক্তি, ডিসেম্বরের মধ্যে তৃতীয় টার্মিনাল চালুর লক্ষ্য: মিল্লাত উন্নয়ন কার্যক্রমের পাশাপাশি গণসচেতনতা বৃদ্ধি অত্যন্ত জরুরি : চসিক মেয়র রাজবাড়ীতে জেলেদের মাঝে চাল বিতরণ সাতক্ষীরায় পেশাজীবী গাড়ি চালকদের দক্ষতা ও সচেতনতা বৃদ্ধিমূলক কর্মশালা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদের বৈঠক নিম্ন আয়ের মানুষের আবাসন সমস্যা সমাধানে সরকারের বহুমুখী উদ্যোগ : গৃহায়ন মন্ত্রী উপসাগরীয় সংঘাত নিরসনে শান্তিপূর্ণ সমাধানের আহ্বান বাংলাদেশ-ওমানের বাংলাদেশ-ভারত অংশীদারিত্বে চিকিৎসা পর্যটনে গতি আসবে সরকারের এক ইঞ্চি জমির রাজস্বও ফাঁকি দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে না : ভূমি প্রতিমন্ত্রী
  • প্রকাশিত : ২০২২-০৩-২৫
  • ৬০১ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন আজ বলেছেন, বাংলাদেশ "মানবিক কারণে" "ইউক্রেনে রাশিয়ার যুদ্ধ" বন্ধ করার দাবিতে জাতিসংঘের প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দিয়েছে।
রাজধানীতে এক অনুষ্ঠান থেকে বের হয়ে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, "(ভোট দেওয়ার) প্রধান কারণ হচ্ছে মানবিক। বাংলাদেশ মানবিক দেশ হিসেবে সারা বিশ্বে সুপরিচিত।"
ইউক্রেন ও তার মিত্রদের দ্বারা উত্থাপিত খসড়া প্রস্তাবটি বৃহস্পতিবার নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সদর দফতরে গৃহীত হয়। ১৪০টি দেশ সেখানে প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দিয়েছে, ৩৮টি বিরত ছিল এবং পাঁচটি দেশ প্রস্তাবের বিপক্ষে ভোট দিয়েছে।
২ মার্চ প্রস্তাব উত্থাপনের প্রেক্ষিতে এ ভোট গ্রহন অনুষ্ঠিত হয়। এ প্রস্তাবে অবিলম্বে রাশিয়ার শক্তি প্রয়োগ বন্ধ করার দাবি জানানো হয়েছে। বাংলাদেশ তার দক্ষিণ এশিয়ার প্রতিবেশী ভারত, পাকিস্তান এবং শ্রীলঙ্কার সাথে ভোট দান থেকে বিরত ছিল। বাংলাদেশ বৃহস্পতিবারের প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দিলেও তার তিন প্রতিবেশী ভারত, পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কা ভোট দান থেকে নিজেদের বিরত রেখেছে।
চীন উভয় প্রস্তাবে ভোট দেওয়া থেকে বিরত ছিল। তবে ৫টি দেশ - রাশিয়া, সিরিয়া, উত্তর কোরিয়া, বেলারুশ ও ইরিত্রিয়া বৃহস্পতিবার ও ২ মার্চ প্রস্তাবের বিরুদ্ধে ভোট দেয়।
বাংলাদেশ তার অবস্থান পরিবর্তন করেছে কি না জানতে চাইলে ড. মোমেন বলেন, বাংলাদেশের অবস্থান একই রয়েছে কারণ ঢাকা সব সময় শান্তির পক্ষে এবং যুদ্ধের বিপক্ষে।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ২ মার্চের প্রস্তাবকে পক্ষপাতমূলক বলে মনে করে এবং এটি যুদ্ধের অবসান ঘটাতে সক্ষম হবে না। "তাই আমরা সেই সময় ভোট দেইনি।”
তিনি বলেন, বৃহস্পতিবারের প্রস্তাবটি বেসামরিক মানুষের কল্যাণে। তিনি বলেন, "আমরা নির্যাতিত মানুষের নিরাপত্তা চাই এবং সেজন্য আমরা হ্যাঁ বলেছি।"
ড. মোমেন বলেন, যুদ্ধের প্রভাব বাংলাদেশের মতো নিরীহ দেশে উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক কর্মকা-ে পড়বে কারণ সবাই পরস্পর নির্ভরশীল। তিনি আরও বলেন, আমরা অভিজ্ঞতা থেকে জানি, যে কোনো যুদ্ধে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয় সাধারণ মানুষ।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat