×
ব্রেকিং নিউজ :
ধর্মমন্ত্রীর ত্বরিত উদ্যোগে দেশে ফিরলেন আটকে পড়া ৩৩ উমরাহ যাত্রী এপ্রিলের মধ্যে বোয়িং চুক্তি, ডিসেম্বরের মধ্যে তৃতীয় টার্মিনাল চালুর লক্ষ্য: মিল্লাত উন্নয়ন কার্যক্রমের পাশাপাশি গণসচেতনতা বৃদ্ধি অত্যন্ত জরুরি : চসিক মেয়র রাজবাড়ীতে জেলেদের মাঝে চাল বিতরণ সাতক্ষীরায় পেশাজীবী গাড়ি চালকদের দক্ষতা ও সচেতনতা বৃদ্ধিমূলক কর্মশালা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদের বৈঠক নিম্ন আয়ের মানুষের আবাসন সমস্যা সমাধানে সরকারের বহুমুখী উদ্যোগ : গৃহায়ন মন্ত্রী উপসাগরীয় সংঘাত নিরসনে শান্তিপূর্ণ সমাধানের আহ্বান বাংলাদেশ-ওমানের বাংলাদেশ-ভারত অংশীদারিত্বে চিকিৎসা পর্যটনে গতি আসবে সরকারের এক ইঞ্চি জমির রাজস্বও ফাঁকি দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে না : ভূমি প্রতিমন্ত্রী
  • প্রকাশিত : ২০২২-০২-০২
  • ৭৮৪ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক

মুক্তিযুদ্ধকালীন মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মৃত্যুদন্ডে দন্ডিত সাখাওয়াত হোসেন ও বিল্লাল মারা যাওয়ায় তাদের আপিল মামলা অকার্যকর ঘোষণা করেছেন সুপ্রিমকোর্টের আপিল বিভাগ।
প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকীর নেতৃত্বে আপিল বিভাগ আজ এই আদেশ দেন।
এর আগে ২০১৬ সালের ১০ আগস্ট মানবতাবিরোধী অপরাধে সাখাওয়াত হোসেনকে মৃত্যুদন্ড দিয়েছিলেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। একই মামলার আট আসামির মধ্যে কেশবপুরের অন্য সাত রাজাকারকে দেয়া হয়েছে আমৃত্যু কারাদন্ডাদেশ।
আমৃত্যু কারাদন্ডপ্রাপ্ত সাতজন হচ্ছেন- মো. বিল্লাল হোসেন, মো. ইব্রাহিম হোসেন, শেখ মোহাম্মদ মুজিবর রহমান, মো. আজিজ সরদার, কাজী ওয়াহেদুল ইসলাম ও মো. আব্দুল খালেক মোড়ল।
একই মামলার ওই আট আসামির মধ্যে গ্রেফতার ছিলেন সাখাওয়াত হোসেন ও মো. বিল্লাল হোসেন। বাকি ছয়জন পলাতক।
গ্রেফতার দুই জন রায়ের পরে আইন অনুযায়ী আপিল বিভাগে আপিল দায়ের করেন। ওই আপিল বিচারাধীন থাকার সময় ২০১৮ সালে বিল্লাল এবং সম্প্রতি সাখাওয়াত হোসেন মারা যান।
মুক্তিযুদ্ধের সময় সাখাওয়াত হোসেন ছিলেন যশোরের কেশবপুরের রাজাকার বাহিনীর কমান্ডার। অন্য আসামিরা ছিলেন একই বাহিনীর সদস্য। মামলায় অভিযোগে বলা হয়, সাখাওয়াতের নেতৃত্বে জেলার কেশবপুরে বিভিন্ন ধরনের মানবতাবিরোধী অপরাধ করেন আসামিরা। তাদের অত্যাচার-নির্যাতনে এলাকার সংখ্যালঘুরা দেশত্যাগে বাধ্য হন।
সাখাওয়াত ১৯৯১ সালে যশোর-৬ (কেশবপুর) আসনে জামায়াত থেকে সংসদ নির্বাচিত হন। সংসদ সদস্য থাকাবস্থায়ই ১৯৯৫ সালে তিনি জামায়াত ছেড়ে বিএনপিতে যোগ দেন। পরে তিনি জাতীয় পার্টিতে যোগ দেন। সর্বশেষ সাখাওয়াত জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat