×
ব্রেকিং নিউজ :
নির্বাচন–পরবর্তী দুই শতাধিক সহিংসতায় নিহত ৩, আহত তিন শতাধিক: এইচআরএসএস অন্তর্বর্তী সরকারের সময় মত প্রকাশের জন্য কোনো সাংবাদিককে জেলে যেতে হয়নি: তথ্য উপদেষ্টা ১৮ ফেব্রুয়ারি থেকে মাধ্যমিক ও নিম্ন মাধ্যমিক স্কুল বন্ধের নির্দেশ হাইকোর্টের কানাডার প্রতি ‘হস্তক্ষেপ দূর’ করতে সহযোগিত জোরদারের আহ্বান চীনের ওসমান হাদি হত্যা: সিআইডি’র তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল ১৯ ফেব্রুয়ারি ট্রাম্পের লড়াইয়ে ইউরোপকে পাশে চান রুবিও আজ ডা. শফিকুর ও নাহিদের বাসায় যাচ্ছেন তারেক রহমান মিনেসোটায় অভিবাসী ধরপাকড় ‘স্বৈরতান্ত্রিক আচরণ’ : ওবামা মঙ্গলবার সকালে সংসদ সদস্য ও বিকেলে মন্ত্রিসভার শপথ: আইন উপদেষ্টা এআইকে ‘অস্ত্র’ বানাচ্ছে সাইবার অপরাধীরা, মোকাবিলায় ইন্টারপোলের নীরব যুদ্ধ
  • প্রকাশিত : ২০২১-০৩-১৮
  • ৫১৫ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক বলেছেন, বঙ্গবন্ধুর নির্দেশে ১৯ মার্চ ১৯৭১ গাজীপুরে পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে প্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলা হয়েছিল। ইতিহাসের সাক্ষী হিসেবে এ দিনটি রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি প্রয়োজন।
আজ বৃহস্পতিবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় ১৯ মার্চ ১৯৭১ প্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধের ঘটনার স্মৃতিচারণ করে তিনি এসব কথা জানান।
১৯ মার্চ প্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধ দিবস উদযাপন পরিষদ, বাংলাদেশ সাংবাদিক অধিকার ফোরাম ও গাজীপুর সাংবাদিক ইউনিয়ন যৌথভাবে এ আলোচনা সভার আয়োজন করে ।
আ ক ম মোজাম্মেল হক বলেন, ১৯৭১ সালের ১৯ মার্চের আগে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে যতগুলো সংগ্রাম হয়েছে তা কেবল ইট-পাটকেল, লাঠিসোটা কিংবা ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল। সেসব হামলায় নিহতের সংখ্যা থাকলেও সেখানে অস্ত্র হাতে বাঙালির পাল্টা প্রতিরোধ হয়নি। ১৯ মার্চ গাজীপুরে পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে প্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলা হয়েছিল। ইতিহাসের সাক্ষী হিসেবে এ দিনটি রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি প্রয়োজন।
তিনি বলেন, গাজীপুর আর্মি ক্যাম্প থেকে পাকিস্তানি বাহিনী অস্ত্র নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করে। তারা ভেবেছিল, বাঙালি সৈনিকের কাছে অস্ত্র থাকা নিরাপদ না। যদিও পাকিস্তানি বাহিনী জানায়, ঢাকায় অস্ত্র সংকটের কারণে এখান থেকে অস্ত্র নিয়ে যাবে। আমরা সেদিন পাকিস্তানের বিরুদ্ধে অস্ত্র নিয়ে গুলি করেছি। এ নিয়ে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমেও সশস্ত্র গণবিদ্রোহের খবর প্রকাশিত হয়েছিল। এটা নিঃসন্দেহে স্বাধীনতার গুরুত্বপূর্ণ টার্নিং পয়েন্ট ছিল। এ গৌরবের দিনটি শুধু গাজীপুরবাসীর জন্য নয়, সমস্ত জাতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রী বলেন, যখন পাকিস্তানিরা বাঙালির স্বার্থকে উপেক্ষা করে আসছিল, তখন আমরা বঙ্গবন্ধুর কাছে পরামর্শ চাই। তিনি আমাদের প্রতিহত করার নির্দেশনা দিয়েছিলেন। এ সঙ্কেত পাওয়ার পরই আমরা মানসিক ও সাংগঠনিকভাবে প্রস্তুত হই, পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে সশস্ত্র সংগ্রামের জন্য।
১৯ মার্চ প্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধ দিবস উদযাপন পরিষদের আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. হাফিজা খাতুনের সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন গাজীপুর সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি আতাউর রহমান।
এছাড়াও বক্তব্য রাখেন সংসদ সদস্য শামসুন নাহার, জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি ফরিদা ইয়াসমিন, বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক আব্দুল বারী, গাজীপুর অফিসার্স ফোরাম, ঢাকার সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোঃ আজহারুল হক, বিজেআরএফের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আজিজুল ইসলাম ভূঁইয়া, বীর মুক্তিযোদ্ধা আনোয়ার হোসেন, গাজীপুর সাংবাদিক ইউনিয়নের সহ-সভাপতি এম এ সালাম শান্ত প্রমুখ।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat