×
ব্রেকিং নিউজ :
দীর্ঘ ১৬ বছর পর নিজেদের দ্বিতীয় শিরোপা ঘরে তুললো স্প্যানিশরা জুলাই সনদ বাস্তবায়ন নিয়ে বিতর্কের অবসান হওয়া উচিত : মির্জা ফখরুল সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দেশপ্রেম ও সততার সাথে দায়িত্ব পালন করতে হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ডেপুটি স্পিকারের সঙ্গে ইউএনডিপি প্রতিনিধিদলের সাক্ষাৎ বিশ্বকাপ ২০২৬ সম্প্রচারে খরচ প্রায় শূন্য, আগেরবার লেনদেন ছিল ১৪০ কোটির : তথ্যমন্ত্রী জুলাই সনদ বাস্তবায়ন নিয়ে বিতর্কের অবসান হওয়া উচিত : মির্জা ফখরুল ফেসবুকে মিথ্যা পোস্ট ও স্থানীয় পত্রিকায় মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ করানোর কারনে মানহানি মামলা ধর্মমন্ত্রীর ত্বরিত উদ্যোগে দেশে ফিরলেন আটকে পড়া ৩৩ উমরাহ যাত্রী এপ্রিলের মধ্যে বোয়িং চুক্তি, ডিসেম্বরের মধ্যে তৃতীয় টার্মিনাল চালুর লক্ষ্য: মিল্লাত উন্নয়ন কার্যক্রমের পাশাপাশি গণসচেতনতা বৃদ্ধি অত্যন্ত জরুরি : চসিক মেয়র
  • প্রকাশিত : ২০২০-০৩-১৬
  • ৩৪২ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক
ক্রীড়ানুরাগী বঙ্গবন্ধু পরিবার’ গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন করলেন প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের ক্রীড়াঙ্গনের সাফল্যে বঙ্গবন্ধু পরিবারের অবদান নিয়ে রচিত মুজিববর্ষের স্মারক গ্রন্থ ‘ক্রীড়ানুরাগী বঙ্গবন্ধু পরিবার’-এর মোড়ক উন্মোচন করেছেন।
প্রধানমন্ত্রী সোমবার দুপুরে তাঁর কার্যালয়ে স্মারক গ্রন্থটির মোড়ক উন্মোচন করেন।
এ সময় ‘ক্রীড়ানুরাগী বঙ্গবন্ধু পরিবার’-এর সম্পাদক যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. জাহিদ আহসান রাসেল এমপি, প্রকাশক ও জয়ীতা প্রকাশনীর স্বত্ত্বাধিকারী ইয়াসিন কবীর জয়, কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের উপদেষ্টা ও পদ্মা ব্যাংক লিমিটেডের চেয়ারম্যান চৌধুরী নাফিজ সরাফাত এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আকতার হোসেন এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাগণ সেখানে উপস্থিত ছিলেন।
জয়ীতা প্রকাশনীর ৭৮ পৃষ্ঠার এ বইয়ে স্থান পেয়েছে শতাধিক আলোকচিত্র, যার অনেকগুলোই দুর্লভ। বইটির প্রচ্ছদ ও গ্রন্থ পরিকল্পনা করেছেন শাহরিয়ার খান বর্ণ। দেশের ক্রীড়াঙ্গনের সাফল্যে বঙ্গবন্ধু পরিবারের অবদান তুলে ধরা হয়েছে।
খেলাধুলার প্রতি অনুরাগ বঙ্গবন্ধু পরিবারের দীর্ঘদিনের। বলা যায় ক্রীড়ানুরাগ তাঁদের পারিবারিক ঐতিহ্য। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পিতা শেখ লুৎফর রহমান ক্রীড়ানুরাগী মানুষ ছিলেন। তিনি ফুটবল খেলতেন। গোপালগঞ্জ অফিসার্স ক্লাবের ফুটবল দলের প্রধান ছিলেন তিনি। বঙ্গবন্ধুও শৈশব থেকেই পিতার মতো ক্রীড়ানুরাগী ছিলেন। তিনি গোপালগঞ্জ মিশনারি স্কুল ফুটবল দলের প্রধান ছিলেন। ম্যাট্রিকুলেশন পাশের গোপালগঞ্জ ছেড়ে গেলে এবং ক্রমে রাজনীতিতে ব্যস্ত হয়ে পড়লেও খেলাধুলার প্রতি বঙ্গবন্ধুর আগ্রহ কমেনি। ঢাকায় রাজনীতির পাশাপাশি তিনি ওয়ান্ডারার্স ক্লাবে ভলিবল ও ফুটবল খেলেছেন।
বঙ্গবন্ধুর পরবর্তী প্রজন্মেও মধ্যেও সঞ্চারিত হয়েছে এই ক্রীড়ানুরাগ। তাঁর বড় ছেলে শেখ কামাল ফুটবল, ক্রিকেট, বাস্কেটবল ও হকিসহ বিভিন্ন খেলায় পারদর্শী ছিলেন। আবাহনী ক্লাব প্রতিষ্ঠার মধ্য দিয়ে দেশে ফুটবলের আধুনিকায়নে তাঁর অবদান চিরস্মরণীয়। তাঁর স্ত্রী সুলতানা কামালও ছিলেন দেশের অন্যতম শ্রেষ্ঠ নারী অ্যাথলেট।
বঙ্গবন্ধুর জ্যেষ্ঠ কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ক্রীড়ানুরাগ সর্বজনবিদিত। সরকার পরিচালনায় ব্যস্ততার মধ্যেও তিনি বিভিন্ন সময় খেলোয়াড়দের উৎসাহিত করেছেন। ব্যক্তিগতভাবে তাদের খোঁজখবর নেন, বাড়িতে আমন্ত্রণ জানান। এমনকি রান্না করে তাদের বাড়িতে খাবারও পাঠিয়ে থাকেন। এ ছাড়া, দেশের ক্রীড়াঙ্গনে তাঁর নানামুখী উন্নয়নমূলক কার্যক্রমে দেশ ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ব্যাপক সাফল্য অর্জিত হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat