×
ব্রেকিং নিউজ :
ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.)-এর গুরুত্ব ও তাৎপর্য ২০২৪-এর গণঅভ্যুত্থানে তরুণরাই শক্তি ও সাহস জুগিয়েছে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী ভাষা শিখে বিনা খরচে ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের জাপানে চাকরির সুযোগ : মাহদী আমিন সুনামগঞ্জ সরকারি জুবিলী উচ্চ বিদ্যালয়ের কৃর্তি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ‘আমাদের চট্টগ্রাম’ অ্যাপে অভিযোগ: চসিকের উচ্ছেদ অভিযান সাতক্ষীরায় সড়ক দুর্ঘটনায় হতাহতদের পরিবারের মধ্যে চেক বিতরণ বরগুনায় প্লাস্টিক দূষণ ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিষয়ক সভা মহানবীর (সা.) আদর্শ অনুসরণে শান্তিপূর্ণ বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্যসেবায় ডিপ্লোমা ফার্মাসিস্টদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ : আতিকুর রহমান রুমন ঢাকার পানি সংকট মোকাবিলায় ডেনমার্কের সহযোগিতা কার্যকর ভূমিকা রাখবে : এলজিআরডি মন্ত্রী
  • প্রকাশিত : ২০২০-০২-০৩
  • ৭৪২ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক
সরকার করোনাভাইরাস প্রবেশ ঠেকাতে সব ধরনের ব্যবস্থা নেবে

সরকার যে কোন মূল্যে দেশে করোনা ভাইরাস প্রবেশ বন্ধে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম বাংলাদেশ সচিবালয়ে এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে মন্ত্রিসভার নিয়মিত সাপ্তাহিক বৈঠকের পর করোনাভাইরাস সম্পর্কে বিশদ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। তিনি বলেন, যে কোনও মূল্যে দেশে করোনাভাইরাস প্রবেশ ঠেকাতে সম্ভাব্য সকল প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।
আনোয়ারুল বলেন, করোনাভাইরাস অত্যন্ত সংক্রামক এবং অন্যান্য রোগের তুলনায় এটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে বলে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে ভাইরাসজনিত মৃত্যুর হার ইবোলা ও অন্যান্য রোগের চেয়ে তুলনামূলকভাবে কম। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বিভিন্ন দেশ থেকে যারা দেশে আসছেন তাদের প্রত্যেককেই বিমানবন্দরসহ সমস্ত প্রবেশপথে ডব্লুএইচওর স্ট্যান্ডার্ড ডাবল চেকআপের মধ্য দিয়ে যেতে হবে।
খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, যারা চীন থেকে বিশেষত করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবস্থল উহান থেকে আগত লোকদের ১৪ দিনের জন্য পৃথক অবস্থায় রাখা হবে। অন্য এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন যে ৩১২ জন বাংলাদেশিকে চীন থেকে ফিরিয়ে আনা হয়েছে এবং অন্য ১৭১ জন দেশে ফিরতে চেয়েছেন। এই ১৭১ জনকে দেশে ফিরিয়ে অনার বিষয়ে চীন সরকারের সাথে আলোচনা চলছে। তিনি আরও বলেন, ৩১২ ফিরিয়ে আনার জন্য যে সব বাংলাদেশী পাইলট চীনে গিয়েছিলেন, বিভিন্ন দেশ তাদের দেশে প্রবেশের অনুমতি না দেয়ায়, তারা একটি চার্টার্ড বিমানের মাধ্যমে তাদের ফিরিয়ে আনতে চান।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেছেন, চীন সরকার বাংলাদেশকে আশ্বাস দিয়েছে যে তারা আক্রান্ত বাংলাদেশীদের প্রেরণ করবে না।
তিনি বলেন, ‘আমাদের চীন থেকে ৩১৬ বাংলাদেশিকে ফিরিয়ে আনার কথা ছিল। তবে চীন সরকার চারজনকে উচ্চ জ্বরজনিত কারণে দেশ ছাড়ার অনুমতি দেয়নি। ফিরে আসা ৩১২ জনের মধ্যে আটজনকে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে এবং বাকিদের ১৪ দিনের জন্য পৃথক অবস্থায় রাখা হয়েছে।’ তবে এ আটজনের করোনাভাইরাস ধরা পড়েনি বলে তিনি নিশ্চিত করেছেন।
সরকারের এ শীর্ষ আমলা বলেন যে চীনা জনগণ, যারা বড় বড় বাংলাদেশী প্রকল্পে কাজ করছেন এবং সম্প্রতি ফিরে এসেছেন তাদেরকে পৃথকীকরণে নেওয়া হয়েছে এবং চীনের উহান থেকে এ ধরনের কাউকে বাংলাদেশে না আসতে বলা হয়েছে।
চীন থেকে আসা এবং চীনে যাওয়ার জন্য বিমানের ফ্লাইট অপারেশন সম্পর্কে তিনি বলেন যে ফ্লাইট অপারেটররা প্রতিদিন মাত্র ১০-১২ যাত্রী পাওয়ায় তাদের বিমান চালনা বন্ধ হতে পারে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat