×
ব্রেকিং নিউজ :
দীর্ঘ ১৬ বছর পর নিজেদের দ্বিতীয় শিরোপা ঘরে তুললো স্প্যানিশরা জুলাই সনদ বাস্তবায়ন নিয়ে বিতর্কের অবসান হওয়া উচিত : মির্জা ফখরুল সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দেশপ্রেম ও সততার সাথে দায়িত্ব পালন করতে হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ডেপুটি স্পিকারের সঙ্গে ইউএনডিপি প্রতিনিধিদলের সাক্ষাৎ বিশ্বকাপ ২০২৬ সম্প্রচারে খরচ প্রায় শূন্য, আগেরবার লেনদেন ছিল ১৪০ কোটির : তথ্যমন্ত্রী জুলাই সনদ বাস্তবায়ন নিয়ে বিতর্কের অবসান হওয়া উচিত : মির্জা ফখরুল ফেসবুকে মিথ্যা পোস্ট ও স্থানীয় পত্রিকায় মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ করানোর কারনে মানহানি মামলা ধর্মমন্ত্রীর ত্বরিত উদ্যোগে দেশে ফিরলেন আটকে পড়া ৩৩ উমরাহ যাত্রী এপ্রিলের মধ্যে বোয়িং চুক্তি, ডিসেম্বরের মধ্যে তৃতীয় টার্মিনাল চালুর লক্ষ্য: মিল্লাত উন্নয়ন কার্যক্রমের পাশাপাশি গণসচেতনতা বৃদ্ধি অত্যন্ত জরুরি : চসিক মেয়র
  • প্রকাশিত : ২০২০-০২-০৩
  • ৩৯৫ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক
৭ দিনের মধ্যে নির্বাচনী ব্যয়ের হিসাব দেয়ার নির্দেশ

ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের সদ্য সমাপ্ত নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী প্রার্থীদের ফল ঘোষণার ৭ দিনের মধ্যে নির্বাচনী ব্যয়ের হিসাব দেয়ার নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।কমিশনের নির্বাচন পরিচালনা-২ অধিশাখার উপসচিব মো. আতিয়ার রহমান ইতোমধ্যে এ সংক্রান্ত একটি পরিপত্র জারি করেছেন।
স্থানীয় সরকার (সিটি করপোরেশন) নির্বাচন বিধিমালা ২০১০-এর বিধি ৪৯ এর উপবিধি (১) অনুযায়ী, নির্বাচনের ফল ঘোষণার ৭ দিনের মধ্যে প্রার্থীর ব্যক্তিগত খরচের হিসাব ও পরিশোধের বর্ণনা সম্বলিত একটি বিবরণী ইসিতে জমা দেয়ার বিধান রয়েছে।এই নির্বাচনে মেয়র প্রার্থীদের ‘ব্যক্তিগত খরচ’ ও ‘নির্বাচনী খরচ’ মিলে সর্বোচ্চ ৭ লাখ টাকা খরচ করার বিধান রয়েছে।ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনে মোট ভোটার সংখ্যা ৩০ লাখ ১০ হাজার ২৭৩ জন এবং দক্ষিণে ২৪ লাখ ৫৩ হাজার ১৯৪ জন।নির্বাচনী ব্যয় সীমার বিধি অনুযায়ী, ২০ লাখ ভোটার হলে ১ লাখ এবং এর বেশি ভোটার সম্বলিত সিটিতে সর্বোচ্চ ২ লাখ টাকা ‘ব্যক্তিগত খরচ’ করতে পারবেন একজন প্রার্থী।দুই সিটিতে সংরক্ষিত আসনের কাউন্সিলর পদে ৭৭ জন এবং সাধারণ কাউন্সিলর পদে ২৫১ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন।কাউন্সিলর পদে প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থী নির্বাচনের উদ্দেশ্যে ‘ব্যক্তিগত ব্যয়ের’ ক্ষেত্রে অনধিক ১৫ হাজার ভোটার সম্বলিত ওয়ার্ডের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ১০ হাজার, ১৫ হাজার ১ থেকে ৩০ হাজার ভোটার সম্বলিত ওয়ার্ডের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ২০ হাজার, ৩০ হাজার ১ থেকে ৫০ হাজার ভোটার সম্বলিত ওয়ার্ডের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ৩০ হাজার এবং ৫০ হাজার ১ ও তার বেশি ভোটার সম্বলিত ওয়ার্ডের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকা খরচ করতে পারবেন প্রার্থীরা।নির্বাচনী ব্যয়ের ক্ষেত্রে অনধিক ১৫ হাজার ভোটার সম্বলিত ওয়ার্ডের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ১ লাখ, ১৫ হাজার ১ থেকে ৩০ হাজার ভোটার সম্বলিত ওয়ার্ডের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ২ লাখ, ৩০ হাজার ১ থেকে ৫০ হাজার ভোটার সম্বলিত ওয়ার্ডের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ৪ লাখ এবং ৫০ হাজার ১ ও তার বেশি ভোটার সম্বলিত ওয়ার্ডের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ৬ লাখ টাকা ‘নির্বাচনী ব্যয়’ করতে পারবেন কাউন্সিলর প্রার্থীরা।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat