×
ব্রেকিং নিউজ :
ধর্মমন্ত্রীর ত্বরিত উদ্যোগে দেশে ফিরলেন আটকে পড়া ৩৩ উমরাহ যাত্রী এপ্রিলের মধ্যে বোয়িং চুক্তি, ডিসেম্বরের মধ্যে তৃতীয় টার্মিনাল চালুর লক্ষ্য: মিল্লাত উন্নয়ন কার্যক্রমের পাশাপাশি গণসচেতনতা বৃদ্ধি অত্যন্ত জরুরি : চসিক মেয়র রাজবাড়ীতে জেলেদের মাঝে চাল বিতরণ সাতক্ষীরায় পেশাজীবী গাড়ি চালকদের দক্ষতা ও সচেতনতা বৃদ্ধিমূলক কর্মশালা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদের বৈঠক নিম্ন আয়ের মানুষের আবাসন সমস্যা সমাধানে সরকারের বহুমুখী উদ্যোগ : গৃহায়ন মন্ত্রী উপসাগরীয় সংঘাত নিরসনে শান্তিপূর্ণ সমাধানের আহ্বান বাংলাদেশ-ওমানের বাংলাদেশ-ভারত অংশীদারিত্বে চিকিৎসা পর্যটনে গতি আসবে সরকারের এক ইঞ্চি জমির রাজস্বও ফাঁকি দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে না : ভূমি প্রতিমন্ত্রী
  • প্রকাশিত : ২০২০-০১-৩০
  • ৭২২ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক
স্ক্রীনিং ছাড়া কেউই দেশে প্রবেশ করছে না : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে সতর্কতার অংশ হিসেবে এই মুহূর্তে স্ক্রীনিং করা ছাড়া কাউকেই দেশে প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না। বিদেশ ফেরত সকল ফ্লাইটের যাত্রীদের জন্য প্রবেশ গেটে স্ক্রীনিং মেশিন বসানো হয়েছে।
আজ দুপুরে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের ডাঃ মিলন হলে বাংলাদেশ মেডিসিন সোসাইটি কর্তৃক আয়োজিত বিশ্বব্যাপী নভেল করোনা ভাইরাস-এর প্রার্দুভাব সংক্রান্ত জনসচেতনতামূলক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।স্বাস্থ্য মন্ত্রী আরও বলেন, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ৩ টি স্ক্রীনিং মেশিন রাখা আছে। এর একটি ভিআইপি প্রবেশ দ্বারে, একটি সাধারণ প্রবেশ দ্বারে এবং অন্যটি স্ট্যান্ড বাই রাখা হয়েছে। একই ভাবে দেশের অন্যান্য স্থল, নৌ বন্দরেও স্ক্রীনিং ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এরপরও বিমানবন্দর সংলগ্ন কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতলে একটি আলাদা আইসোলেটেড কেবিন প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
জাহিদ মালেক বলেন, ‘বিমানবন্দরে প্রতিটি যাত্রীর জন্য একটি করে করোনা ভাইরাস নির্দেশিকা গাইড রাখা হয়েছে। প্রয়োজনে জরুরী হটলাইন মোবাইল নম্বর দেওয়া হয়েছে। সুতরাং করোনা ভাইরাস নিয়ে এই মুহুর্তে আমাদের আতংকিত হবার কোন কারণ নেই। করোনা ভাইরাস মোকাবেলা করতে সরকার পুরোপুরি প্রস্তুত রয়েছে।’দেশের চিকিৎসকদের প্রতি পূর্ণ আস্থা আছে জানিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও বলেন, ডেঙ্গুর সময় আমাদের চিকিৎসকরা যেভাবে সফলতা দেখিয়েছে, তা বিশ্বে বিরল। করোনা ভাইরাস চিকিৎসায় দেশের মেডিসিন সোসাইটি আগে থেকেই যেরকম প্রস্তুতি নিয়েছে এবং চিকিৎসকদের ভাইরাসটির চিকিৎসা নিয়ে প্রশিক্ষণ দিয়ে যাচ্ছে তাতে দেশের চিকিৎসকদের প্রতি আমাদের আস্থা ও বিশ্বাস বহুগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। চিকিৎসার সকল ক্ষেত্রেই আমাদের চিকিৎসকদের এই ধারা অব্যাহত রাখতে হবে।বাংলাদেশ মেডিসিন সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক প্রফেসর আহমেদুল কবীরের সভাপতিত্বে সভায় স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিব মোঃ আসাদুল ইসলাম, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক প্রফেসর আবুল কালাম আজাদ, স্বাচিপ মহাসচিব অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ আব্দুল আজিজ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। সভায় মূল প্রবন্ধ তুলে ধরেন প্রফেসর তারিকুল ইসলাম, স্বাগত বক্তব্য রাখেন প্রফেসর রোবেদ আমীন।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat