×
ব্রেকিং নিউজ :
দীর্ঘ ১৬ বছর পর নিজেদের দ্বিতীয় শিরোপা ঘরে তুললো স্প্যানিশরা জুলাই সনদ বাস্তবায়ন নিয়ে বিতর্কের অবসান হওয়া উচিত : মির্জা ফখরুল সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দেশপ্রেম ও সততার সাথে দায়িত্ব পালন করতে হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ডেপুটি স্পিকারের সঙ্গে ইউএনডিপি প্রতিনিধিদলের সাক্ষাৎ বিশ্বকাপ ২০২৬ সম্প্রচারে খরচ প্রায় শূন্য, আগেরবার লেনদেন ছিল ১৪০ কোটির : তথ্যমন্ত্রী জুলাই সনদ বাস্তবায়ন নিয়ে বিতর্কের অবসান হওয়া উচিত : মির্জা ফখরুল ফেসবুকে মিথ্যা পোস্ট ও স্থানীয় পত্রিকায় মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ করানোর কারনে মানহানি মামলা ধর্মমন্ত্রীর ত্বরিত উদ্যোগে দেশে ফিরলেন আটকে পড়া ৩৩ উমরাহ যাত্রী এপ্রিলের মধ্যে বোয়িং চুক্তি, ডিসেম্বরের মধ্যে তৃতীয় টার্মিনাল চালুর লক্ষ্য: মিল্লাত উন্নয়ন কার্যক্রমের পাশাপাশি গণসচেতনতা বৃদ্ধি অত্যন্ত জরুরি : চসিক মেয়র
  • প্রকাশিত : ২০১৯-১২-১৭
  • ৩৩৬ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক
ডেসটিনির চেয়ারম্যান-এমডির জামিন আবেদন খারিজ

ডেসটিনির এমডি রফিকুল আমীন ও চেয়ারম্যান মোহাম্মদ হোসেনকে জামিন দেয়নি আপিল বিভাগ। তাদের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত অর্থপাচার মামলা দ্রুত নিষ্পত্তি করতে বিচারিক আদালতকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগের ছয় বিচারপতির বেঞ্চ আজ মঙ্গলবার এ আদেশ দেন।এর আগে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের আদেশ ছিল ২ হাজার ৮ শত কোটি টাকা সরকারি কোষাগারে জমা দিলেই জামিন পাবেন ডেসটিনির দুই কর্ণধার। ডেসটিনির সৃজনকৃত ৩৫ লাখ গাছ বিক্রি করে ওই অর্থ পরিশোধের কথা ছিল তাদের। কিন্তু তিন বছরেও ওই আদেশের বাস্তবায়ন হয়নি। ফলে মুক্তিও মেলেনি। গত রবিবার জামিন শুনানিতে ডেসটিনির আইনজীবীর কাছে আদালত জানতে চান, গাছ কোথায় গেলো? জবাবে ব্যারিস্টার আজমালুল হোসেন কিউসি মৃদু হেসে বলেন, গাছ তো ছাগলে খেয়ে ফেলেছে! পরে তিনি বলেন, বিভিন্ন ব্যক্তি ও গোষ্ঠী অধিকাংশ গাছ কেটে নিয়েছে। যার কারণে অর্থ পরিশোধ সম্ভব হয়নি। তিনি বলেন, ২০০৯ সালের অর্থ-পাচার আইনে সর্বোচ্চ সাজা ৭ বছর।প্রায় ৪ হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ ও পাচারের অভিযোগে ২০১২ সালের ৩১ জুলাই দুদক কলাবাগান থানায় দুটি মামলা দায়ের করে। ২০১৬ সালের ১৩ নভেম্বর আপিল বিভাগ দুটি শর্তে ডেসটিনির দুই শীর্ষ ব্যক্তি এমডি রফিকুল আমীন ও চেয়ারম্যান মোহাম্মদ হোসেনের জামিন মঞ্জুর করে। ওই শর্তে বলা হয়েছিল, ডেসটিনির চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালককে তাদের সৃজনকৃত বাগান থেকে ৩৫ লাখ গাছ বিক্রি করে ২ হাজার ৮০০ কোটি টাকা ছয় সপ্তাহের মধ্যে জমা দিতে হবে। জমা দেওয়ার প্রমাণপত্র হলফনামা আকারে দাখিলের পর তারা জামিন পাবেন। এই শর্ত পূরণে ব্যর্থ হলে দ্বিতীয় শর্ত হিসাবে সরকারি কোষাগারে দিতে হবে নগদ ২ হাজার ৫ শত কোটি টাকা। এই দুই শর্তের একটি পূরণ করলেই তারা জামিন পাবেন। সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া ওই অর্থ ডেসটিনিতে বিনিয়োগ করে যারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন সেসব ক্ষতিগ্রস্তর মাঝে বিতরণ করতে দুদক চেয়ারম্যানকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিলো।গত তিন বছরেও আদালতের ওই শর্ত তারা পূরণ করতে পারেননি। ওই আদেশ সংশোধন চেয়ে আবেদন করলে ২০১৭ সালের পহেলা ডিসেম্বর তা খারিজ করে দেয় আপিল বিভাগ।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat