• আবহাওয়া পরিস্থিতি বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করবে এবং এ সংক্রান্ত বুলেটিন/রিপোর্ট প্রকাশ করবে।
• দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের এনডিআরসিসি এবং সিসিপি নিয়ন্ত্রণ কক্ষ সার্বক্ষনিক খোলা থাকবে।
• এনডিআরসিসি সংশ্লিষ্ট ১৩ (তের) টি জেলার জেলা প্রশাসকের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করবে।
• সিপিপি ও রেডক্রিসেন্ট স্বেচ্ছাসেবকগনকে তাদের প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণ করতে হবে।
• আবহাওয়া সংকেত অনুযায়ী সকল মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলার চলাচলের বিষয়ে সকল জেলা প্রশাসকগণ সংশ্লিষ্ট সকলকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করবে।
• আবহাওয়ার সংকেত অনুযায়ী বিভিন্ন রুটে নৌ-যান চলাচলের নিষেধাজ্ঞা প্রদান করতে হবে। নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয় এক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
• সকল পর্যায়ে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটি সভা অনুষ্ঠান করে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিতে হবে।
• সংশ্লিষ্ট সকল জেলা প্রশাসক ঘূণিঝড় আশ্রয় কেন্দ্র সমূহ প্রস্তুত রাখবেন এবং যোগাযোগ উপযোগী করবেন।
• সংশ্লিষ্ট সকল জেলা প্রশাসক আশ্রয়কেন্দ্রে আগত জনগনের জন্য পর্যাপ্ত খাবারের ব্যবস্থা রাখবেন। প্রয়োজনে জেলা প্রশাসকগণ নগদ বরাদ্দ হতে প্রয়োজনীয় খাদ্য সামগ্রী ক্রয় করবেন।
• সংশ্লিষ্ট সকল জেলা প্রশাসক আশ্রয় কেন্দ্রে ক্ষতিগ্রস্থ লোকজন আনার জন্য প্রয়োজনীয় যানবাহনের ব্যবস্থা করবেন। বিপদ সংকেত অনুযায়ী দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা পাওয়া মাত্র বিপদাপন্ন জনগণকে আশ্রয় কেন্দ্রে আনয়ন নিশ্চিত করবেন।
• বেরিবাঁধ, ফসল, গবাদি পশু, মৎস্য সম্পদ ইত্যাদি ক্ষয়-ক্ষতি রোধে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়/বিভাগ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।
• সংশ্লিষ্ট সকল জেলা প্রশাসক আশ্রয় কেন্দ্রে আশ্রিত লোকজনের পাশাপাশি গবাদি পশুর জন্য নিরাপদ স্থানের ব্যবস্থা, বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ, মেডিকেল টিম প্রস্তুতসহ আনুসাঙ্গিক বিষয়গুলি নিশ্চিত করবেন।
• “ঘূর্ণিঝড় বুলবুল থেকে নিজের ও পরিবারের জীবন/সম্পদ রক্ষার জন্য শনিবার ০৯ নভেম্বর ২০১৯ দুপুর ০২. ০০ টার মধ্যে নিকটবর্তী আশ্রয়কেন্দ্রে আশ্রয় নিন”-দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়—এই বার্তাটি সকল প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় বহুল প্রচারের জন্য তথ্য মন্ত্রণালয়কে এবং সকল মোবাইল অপারেটরের মাধ্যমে এসএমএস আকারে জনগনের মাঝে ব্যপক প্রচারের ব্যবস্থা করার জন্য বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)-কে পত্র প্রদান করতে হবে।
• জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় উপকূলীয় ১৩ (তের) জেলার সকল কর্মকর্তা/কর্মচারীর ছুটি বাতিল করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
সংশ্লিষ্ট সকল জেলা প্রশাসকগণের কাছ থেকে প্রাপ্ত তথ্যানুসারে ক্ষতিগ্রস্থ লোকজনকে আশ্রয় প্রদানের জন্য ০৮/০১১/২০১৯ খ্রি: তারিখের মধ্যে নিম্নোক্ত আশ্রয় কেন্দ্রসমূহ প্রস্তুত করা হয়েছেঃ
জেলা উপজেলা আশ্রয়কেন্দ্রের সংখ্যা (স্কুল, কলেজসহ)ধারণ ক্ষমতা (জন)
১। বাগেরহাট মোংলা ৮৪ টি ৪৭৬০০
রামপাল ৩২ টি ১২২০০
শরণখোলা ৯৭ টি ৩৮৮০০
মোড়লেগঞ্জ ৮২ টি ১৩৮০০
মোট ২৯৫ টি ১১২৪০০
২। সাতক্ষীরা কালীগঞ্জ ১০৫ টি ১০৫০০
শ্যামনগর ১৭৫ টি ১৭৫০০০
আশাশুনি ৮১ টি ৮১০০০
সাতক্ষীরা সদর ২৬৪ টি ২৬০০০০
কলোরোয়া ২১৮ টি ২০০০০০
মোট ১১৭৪ টি ১০২৬৫০০
৩। খুলনা কয়রা ১২১ টি ৮৭০০০
দাকোপ ৮৯ টি ৬২৫০০
পাইকগাছা ৩২ টি ২৬২৫০
বটিয়াঘাটা ২৭ টি ১৫০০০
ডুমুরিয়া ২৯ টি ১২৭৫০
তেরখাদা ২২ টি ১৫৪০০
রুপসা ২৯ টি ২০৩০০
মোট ৩৪৯ টি ২৩৮৯৫০ জন
“ঘূর্ণিঝড় বুলবুল থেকে নিজের ও পরিবারের জীবন/সম্পদ রক্ষার জন্য শনিবার ০৯ নভেম্বর ২০১৯ দুপুর ০২. ০০ টার মধ্যে নিকটবর্তী আশ্রয়কেন্দ্রে আশ্রয় নিন”-দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়—এই বার্তাটি সকল প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় বহুল প্রচারের জন্য তথ্য মন্ত্রণালয়কে এবং সকল মোবাইল অপারেটরের মাধ্যমে এসএমএস আকারে জনগনের মাঝে ব্যপক প্রচারের ব্যবস্থা করার জন্য বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)-কে গত ৮/১১/২০১৯ খ্রি: তারিখ পত্র প্রদান করা হয়েছে।