×
ব্রেকিং নিউজ :
দীর্ঘ ১৬ বছর পর নিজেদের দ্বিতীয় শিরোপা ঘরে তুললো স্প্যানিশরা জুলাই সনদ বাস্তবায়ন নিয়ে বিতর্কের অবসান হওয়া উচিত : মির্জা ফখরুল সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দেশপ্রেম ও সততার সাথে দায়িত্ব পালন করতে হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ডেপুটি স্পিকারের সঙ্গে ইউএনডিপি প্রতিনিধিদলের সাক্ষাৎ বিশ্বকাপ ২০২৬ সম্প্রচারে খরচ প্রায় শূন্য, আগেরবার লেনদেন ছিল ১৪০ কোটির : তথ্যমন্ত্রী জুলাই সনদ বাস্তবায়ন নিয়ে বিতর্কের অবসান হওয়া উচিত : মির্জা ফখরুল ফেসবুকে মিথ্যা পোস্ট ও স্থানীয় পত্রিকায় মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ করানোর কারনে মানহানি মামলা ধর্মমন্ত্রীর ত্বরিত উদ্যোগে দেশে ফিরলেন আটকে পড়া ৩৩ উমরাহ যাত্রী এপ্রিলের মধ্যে বোয়িং চুক্তি, ডিসেম্বরের মধ্যে তৃতীয় টার্মিনাল চালুর লক্ষ্য: মিল্লাত উন্নয়ন কার্যক্রমের পাশাপাশি গণসচেতনতা বৃদ্ধি অত্যন্ত জরুরি : চসিক মেয়র
  • প্রকাশিত : ২০১৯-০৯-১৩
  • ৩৫৯ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক
পাবনায় গণধর্ষনের মামলায় আরো এক আসামী গ্রেফতার

পাবনার গণধর্ষণ মামলার আরেক আসামীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গ্রেফতারকৃত ওসমান ঘটনার পর থেকে পলাতক ছিলেন। সে দাপুনিয়া গাঁতি এলাকার ফজলু মিয়ার ছেলে। আজ শুক্রবার ভোরে পাবনা সদর উপজেলার পৌর শিংগা এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। এ নিয়ে এই মামলার ৫জন আসামীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

উল্লেখ্য গত ২৯ আগষ্ট পাবনা সদর উপজেলার দাপুনিয়া ইউনিয়নের সাহাপুর যশোদল গ্রামের ৩ সন্তানের জননীকে স্থানীয় আওয়ামীলীগ নেতা শরিফুল ইসলাম ঘটুর নেতৃত্বে একদল সন্ত্রাসী ওই গৃহবধুকে জোর পুর্বক তুলে নিয়ে গিয়ে একটি ঘরে তিনদিন আটকে রেখে গণধর্ষন করে। ৩দিন পর কৌশলে গৃহবধু সেখান থেকে পালিয়ে এসে পরিবারকে ঘটনাটি জানায়। পরিবারের সহায়তায় ওই গৃহবধু পাবনা সদর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেন। এদিকে ওসি ওবাইদুল হক অভিযোগ মামলা হিসেবে গ্রহন না করে বাদীনিকে মিমাংসার জন্য চাপ প্রয়োগ করে। গত শুক্রবার রাতে ধর্ষক স্থানীয় আকবর আলীর ছেলে রাসেলের সাথে থানায় ধর্ষীতাকে জোর পুর্বক বিয়ে দিয়ে আওয়ামীলীগ নেতাকে বাঁচানোর চেষ্টা করা হয়। বিষয়টি জানাজানি হলে পাবনার সুশিল সমাজ মধ্যে প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। এ ঘটনায় গত সোমবার জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে তিন সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়। তদন্তে প্রাথমিকভাবে ঘটনার সত্যতা পাওয়ায় গতকাল বুধবার ওসি ওবায়দুল হককে পাবনা পুলিশ লাইনে প্রত্যাহার করা হয়েছে। এ ঘটনার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে তদন্ত কমিটি এসআই ইকরামকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করে।
এদিকে তদন্ত কমিটির রিপোর্টের প্রেক্ষিতে তাৎক্ষনিক ভাবে থানায় ধর্ষণ মামলা হিসেবে মামলাটি নথিভুক্ত করার নির্দেশ দেয়া হয়। পরে এ মামলায় অভিযুক্ত রাসেল ও ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ নেতা শরিফুল ইসলাম ঘন্টুকে গ্রেফতার করে পুলিশ। মঙ্গলবার রাতে, পুলিশ আরো দুই আসামী হোসেন আলী ও সঞ্জুকে গ্রেফতার করে। আজ শুক্রবার ওসমানকে গ্রেফতার করা হয়। এ নিয়ে মামলার মোট পাঁচ আসামীর সবাইকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে রাসেল ও হোসেন ১৬৪ ধারায় ধর্ষণের স্বীকোরোক্তিমূলক জবানবন্দী দিয়েছে। অভিযুক্ত শরিফুল ইসলাম ঘন্টু সদর উপজেলার দাপুনিয়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের যুগ্ন সম্পাদক।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat