×
ব্রেকিং নিউজ :
ধর্মমন্ত্রীর ত্বরিত উদ্যোগে দেশে ফিরলেন আটকে পড়া ৩৩ উমরাহ যাত্রী এপ্রিলের মধ্যে বোয়িং চুক্তি, ডিসেম্বরের মধ্যে তৃতীয় টার্মিনাল চালুর লক্ষ্য: মিল্লাত উন্নয়ন কার্যক্রমের পাশাপাশি গণসচেতনতা বৃদ্ধি অত্যন্ত জরুরি : চসিক মেয়র রাজবাড়ীতে জেলেদের মাঝে চাল বিতরণ সাতক্ষীরায় পেশাজীবী গাড়ি চালকদের দক্ষতা ও সচেতনতা বৃদ্ধিমূলক কর্মশালা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদের বৈঠক নিম্ন আয়ের মানুষের আবাসন সমস্যা সমাধানে সরকারের বহুমুখী উদ্যোগ : গৃহায়ন মন্ত্রী উপসাগরীয় সংঘাত নিরসনে শান্তিপূর্ণ সমাধানের আহ্বান বাংলাদেশ-ওমানের বাংলাদেশ-ভারত অংশীদারিত্বে চিকিৎসা পর্যটনে গতি আসবে সরকারের এক ইঞ্চি জমির রাজস্বও ফাঁকি দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে না : ভূমি প্রতিমন্ত্রী
  • প্রকাশিত : ২০১৯-০৭-২৪
  • ৩৪৭ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক
সাতক্ষীরায় বিকাশে লেনদেন বন্ধ, ভোগান্তিতে পড়েছেন গ্রাহকরা

সাতক্ষীরায় বিকাশে লেনদেন বন্ধ রয়েছে প্রায় এক সপ্তাহের অধিক। বিকাশে জেলা পরিবেশক ওমর ফারুক চার কোটি টাকা আত্মসাত করে উধাও হবার পর থেকে বিকাশের সকল এজেন্ট লেনদেন বন্ধ রেখেছেন। জেলায় নতুন কোন পরিবেশকও এ সময়ে নিয়োগ দেয়নি বিকাশ কর্তৃপক্ষ। ফলে ব্যবসায়ী, বিকাশ এ্যাকাউন্টধারী সকল গ্রাহক পড়েছেন চরম বিপাকে। স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরাও হয়রানীর শিকার হচ্ছেন। উপবৃত্তির টাকা তুলতে না পেরে অনেক শিক্ষার্থী দুর্ভোগে রয়েছেন। ব্যবসায়ীরা লেনদেন করতে না পেরে তাদের চরম ক্ষতি হচ্ছে। অথচ সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও বিকাশ কর্তৃপক্ষ কোন ব্যবস্থা নেয়নি। এতে বিকাশের প্রতি সাধারণ গ্রাহকরা দিনে দিনে ক্ষিপ্ত হয়ে উঠছেন বলে খবর পাওয়া যাচ্ছে। বিকাশের সাধারণ গ্রাহকরা টাকা ক্যাশ আউট করতে গেলে এজেন্টরা ক্যাশ আউট করতে অপারগতা প্রকাশ করছেন। বিদেশ থেকে পরিবারের কাছে পাঠানো টাকা উত্তোলন করতে না পেরে অনেকেই দিশেহারা হয়ে পড়ছেন। শুধু তাই নয়, জেলা ও জেলার বাইরে থাকা স্বজনদের কাছে বিকাশের মাধ্যমে টাকা পাঠাতে না পেরে অনেকেই পড়ছেন বিপাকে। বিষয়টি নিয়ে লেখালেখি করার জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন বিকাশের শতশত গ্রাহক। গ্রাহকরা তাদের অসুবিধা ও হয়রানির কথা বলতে গিয়ে উপরোক্ত ভোগান্তির বর্ণনা দেন। সাধারণ গ্রাহকরা এ ব্যাপারে জরুরী ভিত্তিতে পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য বিকাশ কর্তৃপক্ষের দৃষ্টিআকর্ষণ করেছেন। এদিকে সাতক্ষীরা জেলা টেলিকম ও মোবাইল ব্যাংকিং মালিক সমিতির এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, সাতক্ষীরা জেলা বিকাশ ডিষ্ট্রিবিউটর হাউজের স্বত্বাধীকারী ওমর ফারুক জেলার এজেন্টগণের চার কোটি টাকা আত্মসাৎ করার পরেও বিকাশের কোন কর্মকর্তা আমাদের সাথে যোগাযোগ বা আমাদেরকে আশ্বস্ত না করে নতুন ডিষ্ট্রিবিউটর নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু করেছে। যা অত্যন্ত নিন্দনীয় ও দুরভিসন্ধিমূলক প্রক্রিয়া। এক্ষণে যারা ডিষ্ট্রিবিউটর হাউজ নিতে ইচ্ছুক তাদেরকে বলতে চাই যে, আমাদের পাওনা টাকার সমাধান না হওয়া পর্যন্ত আপনাদেরকে ডিষ্ট্রিবিউটরের দায়িত্ব গ্রহণ না করার জন্য অনুরোধ করা হল। যদি গ্রহণ করেন তাহলে কোন অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার জন্য সাতক্ষীরা জেলা টেলিকম ও মোবাইল ব্যাংকিং মালিক সমিতি কোনরূপ দায়দায়িত্ব গ্রহণ করবে না।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat