×
ব্রেকিং নিউজ :
  • আপডেট টাইম : 17/05/2023 08:20 PM
  • 12 বার পঠিত

শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন,গতানুগতিক পড়াশোনা দিয়ে শিক্ষার নতুন চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করা সম্ভব নয়। তাই নতুন সময়ে শিক্ষাব্যবস্থায় পরিবর্তন আনতে সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে।
তিনি বলেন, শিক্ষাব্যবস্থাকে ব্লেন্ডেড করা এই পরিবর্তনের একটি অংশ। তবে, এই পরিবর্তনের যাত্রায় সবাইকে একত্রে কাজ করতে হবে। সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে স্মার্ট শিক্ষাব্যবস্থা তৈরি করে স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণের পথ সুগম করাই আমাদের উদ্দেশ্য। সেজন্য সবাইকে এই মিশন-ভিশনকে বিশ্বাস করে কাজ এগিয়ে নিতে হবে।
মঙ্গলবার ১৬ মে রাজধানীর একটি হোটেলে ‘এক্সেলারেটিং ব্লেন্ডেড এডুকেশন ফর স্মার্ট বাংলাদেশ’ শীর্ষক এক আন্তর্জাতিক কনসালটেশন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ কথা বলেন।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে, ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম ও এসপায়ার টু ইনোভেট-এটুআই এর সহযোগিতায় এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক এবং শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী।
শিক্ষামন্ত্রী আরো বলেন, ‘স্মার্ট বাংলাদেশ রূপকল্প’ অর্জনে বাংলাদেশের অন্তর্ভুক্তিমূলক ব্লেন্ডেড শিক্ষা পদ্ধতি বাস্তবায়নে সরকারি, বেসরকারি, উন্নয়ন সহযোগী সংস্থাসহ সকলকে একযোগে কাজ করার বিকল্প নেই। এই স্বপ্নযাত্রায় ব্লেন্ডেড শিক্ষাব্যবস্থার মাস্টারপ্ল্যান আমাদের একটি পদক্ষেপ। এই স্বপ্নপূরণে সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, এনজিও ও ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের মতো গ্লোবাল লিডার্সদের একযোগে কাজ করতে হবে।
এসময় ২০২২ সালে সুইজারল্যান্ডের ডাভোসে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের বার্ষিক সাধারণ সভায় শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বাংলাদেশ সরকারের ন্যাশনাল ব্লেন্ডেড এডুকেশনাল মাস্টার প্ল্যান (২০২২-২০৩১) তুলে ধরেন এবং সেখানে বাংলাদেশে একটি এডুকেশন এক্সিলারেটর গঠনের কথা ঘোষণা করেন। তারই ধারাবাহিকতায় শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও আইসিটি বিভাগে এবং বিভিন্ন বেসরকারি খাতের সমন্বয়ে একটি এক্সিলারেটর গঠন করা হয়।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব সোলেমান খান। অনুষ্ঠানে মূল নিবন্ধ উপস্থাপন করেন ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের এডুকেশন, স্কিল অ্যান্ড লার্নিং বিভাগের লিড তানিয়া মিলবার্গ এবং এটুআই-এর পলিসি অ্যাডভাইজার আনীর চৌধুরী।
দেশের শিক্ষা ব্যবস্থাকে ব্লেন্ডেড শিক্ষা উপযোগী করে তুলতে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সম্পৃক্ততা ও প্রয়োজনীয়তার ওপরে একটি প্যানেল আলোচনা হয়।
উল্লেখ্য, কোভিড পরবর্তী সময়ে প্রাথমিক, মাধ্যমিক, উচ্চ মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষার ক্ষেত্রে অনলাইন-অফলাইন মিশ্রণে ব্লেন্ডেড শিক্ষা পদ্ধতির নীতি প্রণয়নের উদ্যোগ নেয় সরকার। শিক্ষা মন্ত্রণলায়ের নেতৃত্বে মোট ১৩টি মন্ত্রণালয় কাজ করছে ব্লেন্ডেড শিক্ষা ও দক্ষতা মহাপরিকল্পনা প্রণয়নে। উন্নত বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের চাহিদা মোকাবেলায় দেশের শিক্ষা ব্যবস্থাকে এগিয়ে নেয়ার ক্ষেত্রে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সমন্বয়ে ব্লেন্ডেড শিক্ষা পদ্ধতি পূর্ণাঙ্গভাবে কার্যকরের উপযোগী করে তোলার জন্য সচেতনতা তৈরি করা এই কন্সালটেশনের অন্যতম লক্ষ্য।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..

ফেসবুকে আমরা...