×
ব্রেকিং নিউজ :
চলতি অর্থবছরে রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা ৬৩.৪ বিলিয়ন ডলার দক্ষ জনশক্তি ও নিরাপদ কর্মপরিবেশই দেশের সমৃদ্ধির মূল চাবিকাঠি : শ্রমমন্ত্রী জলবায়ু-সহিষ্ণুতা বৃদ্ধিতে আইএফআরসির সঙ্গে আরও ঘনিষ্ঠ অংশীদারিত্ব চান শামা ময়মনসিংহে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ‘ক্লিন সানডে’ কর্মসূচি পালিত পঞ্চপল্লী প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের মাঝে স্কুল ব্যাগ বিতরণ চা শিল্পের উন্নয়নে সহযোগিতার আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর প্রকৃত দেশপ্রেমিক কখনো দুর্নীতিবাজ হতে পারেন না: বিমানমন্ত্রী জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়তে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে : আইনমন্ত্রী বঙ্গভবন ছাড়লেন সদ্য পদত্যাগী রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন এসডিজি জাতীয় প্রচার অনুষ্ঠানে ভারপ্রাপ্ত স্পিকারকে ইউএনওপিএস-এর আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ
  • প্রকাশিত : ২০২৩-০২-২৬
  • ৪৬১ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক

তথ্য ও যোগাযোগ  প্রযুক্তি  প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেছেন, আইসিটি বিভাগ হতে দেশের বিশ্ববিদ্যালয়সমূহকে গ্রিন, ক্লিন, সেইফ এবং স্মার্ট ক্যাম্পাস গড়ে তুলতে স্মার্ট ক্যাম্পাস চ্যালেঞ্জ প্রোগ্রাম চালু করা হবে।
তিনি প্রযুক্তিনির্ভর সমাধান দিয়ে স্মার্ট ক্যাম্পাস গড়ে তুলতে এখন থেকেই প্রস্তুতি গ্রহণের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও ছাত্রদের প্রতি আহ্বান জানান।
আজ রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন (ইউজিসি) এর মনোনীত ৮টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ডিজিটাল নথি সিস্টেম (ডি-নথি) এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এ কথা বলেন।
পলক বলেন, দেশ শ্রমনির্ভর অর্থনীতি থেকে প্রযুক্তি নির্ভর অর্থনীতির দিকে এগিয়ে গেছে। এখন আমরা নলেজ বেইজড ইকোনমির দিকে এগিয়ে যেতে চাই। ডিজিটাল ডিভাইস ব্যবহার করে যেকোন সময় ও স্থান থেকে ইলেকট্রনিকেলি অফিসের কার্যক্রম সম্পন্ন করার উদ্দেশ্যেই ২০১৬ সালে ই-নথি চালু করা হয়।
তিনি আরো বলেন, ‘২০১৬ সাল থেকে ডিসেম্বর ২০২২ সাল পর্যন্ত ১১ হাজার দপ্তরে লক্ষাধিক কর্মকর্তা ই-নথি ব্যবহার করেছে যার সংখ্যা ২ কোটির বেশি। ই-নথি ব্যবহারের মাধ্যমে অর্থ ও সময় সাশ্রয় এবং স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও দ্রুততা নিশ্চিত করা গেছে। এছাড়া কাগজ ব্যবহারের মাধ্যমে এ ফাইল সম্পাদন করা হলে পরিবেশের ওপর ব্যাপক প্রভাব ফেলতো বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর আইসিটি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় ২০৪১ সাল নাগাদ স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে স্মার্ট সিটিজেন, স্মার্ট সোসাইটি, স্মার্ট ইকোনমি এবং স্মার্ট গভর্নমেন্ট এ চারটি এরিয়া ঠিক করে দিয়েছেন। ইনোভেটিভ স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে সরকার, একাডেমিয়া ও ইন্ডাস্ট্রির মধ্যে পার্টনারশিপ দরকার। এ লক্ষ্যে ইউনিভার্সিটি ক্যাম্পাসে ইউনিভার্সিটি ইনকিউবেশন সেন্টার স্থাপনের কার্যক্রম ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে বলেও জানান তিনি।
এর আগে প্রতিমন্ত্রী শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, হাজী মোহাম্মাদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, মওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম    প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেরিটাইম বিশ্ববিদ্যালয় এবং শেখ হাসিনা বিশ্ববিদ্যালয়, নেত্রকোনা এই ৮টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ডি-নথি এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনে চেয়ারম্যান কাজী শহীদুল্লাহ, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ফরিদ উদ্দিন আহমেদ এবং ইউজিসির সচিব ড. ফেরদৌস জামান।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat