×
ব্রেকিং নিউজ :
চলতি অর্থবছরে রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা ৬৩.৪ বিলিয়ন ডলার দক্ষ জনশক্তি ও নিরাপদ কর্মপরিবেশই দেশের সমৃদ্ধির মূল চাবিকাঠি : শ্রমমন্ত্রী জলবায়ু-সহিষ্ণুতা বৃদ্ধিতে আইএফআরসির সঙ্গে আরও ঘনিষ্ঠ অংশীদারিত্ব চান শামা ময়মনসিংহে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ‘ক্লিন সানডে’ কর্মসূচি পালিত পঞ্চপল্লী প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের মাঝে স্কুল ব্যাগ বিতরণ চা শিল্পের উন্নয়নে সহযোগিতার আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর প্রকৃত দেশপ্রেমিক কখনো দুর্নীতিবাজ হতে পারেন না: বিমানমন্ত্রী জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়তে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে : আইনমন্ত্রী বঙ্গভবন ছাড়লেন সদ্য পদত্যাগী রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন এসডিজি জাতীয় প্রচার অনুষ্ঠানে ভারপ্রাপ্ত স্পিকারকে ইউএনওপিএস-এর আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ
  • প্রকাশিত : ২০২২-১১-১৫
  • ২৪২ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে বিশ্বব্যাপী বিদ্যমান বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট মোকাবেলায় সরকার বিদ্যুত ব্যবহারে সাশ্রয় এবং জ্বালানি ব্যয় হ্রাসে একগুচ্ছ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করছে। তথ্য ও সম্প্রচার সচিব মো. হুমায়ুন কবির খন্দকার বলেন, “সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আমাদের সব অফিসে বিদ্যুতের ব্যবহার ২৫ শতাংশ কমাতে হবে এবং এভাবে জ্বালানি খাতে বাজেট বরাদ্দের ২০ শতাংশ সাশ্রয় করতে হবে।” আজ তার মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে প্রধান অতিথি হিসেবে ‘তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় এবং এর বিভাগ/সংস্থার বিদ্যুৎ সাশ্রয়’ শীর্ষক এক অবহিতকরন অধিবেশনে তিনি বলেন, অনলাইন সভা আয়োজন করতে হবে এবং জরুরি সভা না হলে, সশরীরে সভা এড়িয়ে চলতে হবে।
স্বাগত বক্তব্য রাখেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব খাদিজা বেগম এবং অধিবেশন পরিচালনা করেন বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তির (এপিএ) দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা উপসচিব মো. আসাদুজ্জামান। তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় এবং এর বিভিন্ন দপ্তর/সংস্থার প্রায় ৩০ জন কর্মকর্তা এই অধিবেশনে যোগ দেন।
হুমায়ুন কবির খন্দকার বলেন, সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ সকল দপ্তর বিদ্যুতের ব্যবহার ২৫ শতাংশ হ্রাস করে জ্বালানি খাতের বাজেট ২০ শতাংশ কমাতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে। তিনি বলেন,“একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে জ্বালানি অপচয় রোধে আমাদের কী করতে হবে ? সচেতন নাগরিক হিসেবে আমাদের অবশ্যই বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ের জন্য সরকারের পদক্ষেপ ও সিদ্ধান্ত অনুসরণ করতে হবে।” এর পাশাপাশি নাগরিক পর্যায়ে বিদ্যুৎ ব্যবহার কমাতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারে বলেও জানান তিনি।
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ের জন্য ‘করণীয় ৩০টি বিষয়ের’ একটি তালিকা নির্ধারণের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, “আমাদের সবার উচিত সরকারকে সহযোগিতা করা, যা ২০৪১ সালের মধ্যে দেশকে উন্নত দেশে পরিণত করার লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রীর গতিশীল নেতৃত্বে নিরলসভাবে  করে যাওয়া হচ্ছে।”
৩০টি পয়েন্টের এই তালিকায় এলইডি বাল্বের মতো শক্তি সাশ্রয়ী আলো ব্যবহার করা, ফিক্সচার /চেজিং/ রিফ্লেক্টরগুলোর মতো আলোক ব্যবস্থার উজ্জ্বলতার জন্য উচ্চ প্রতিফলন সহগ রং ব্যবহার করা এবং বিদ্যুতের অপ্রয়োজনীয় ব্যবহার রোধের লক্ষ্যে সিঁড়ি, বাথরুম, ওয়েটিং রুম, করিডোরসহ সাধারণ স্থানগুলোতে মোশন সেন্সর লাইটিং ব্যবস্থা ব্যবহার করা, বাংলাদেশ ন্যাশনাল বিল্ডিং কোড (বিএনবিসি) কর্তৃক নকশাকৃত একটি প্রোগ্রামের উপর ভিত্তি করে আলোর তীব্রতার উজ্জ্বলতা পরিমান মত বজায় রাখা এবং বৈদ্যুতিক বাল্বসহ আলোর ব্যবস্থা নিয়মিত পরিষ্কার রাখা, কারণ ধুলো বাল্বের উজ্জ্বলতা হ্রাস করে। দিনের আলোর সর্বাধিক ব্যবহারকে অনুসরণ করে অফিস ডেস্কে টাস্ক লাইটিং সিস্টেম ব্যবহার করা, বিদ্যুতের অপ্রয়োজনীয় ব্যবহার এড়ানো, এয়ার কন্ডিশনারগুলোর নির্ধারিত তাপমাত্রা ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা তার উপরে রাখা এবং ঘরের জানালা-দরজা বন্ধ করে রাখা, ওয়াশিং মেশিন এবং পানি গরম করার জন্য গিজার/ হিটারের ব্যবহার এড়িয়ে চলা এবং রুম থেকে যাওয়ার সময় লাইট-ফ্যানের সুইচগুলো বন্ধ করা।
তথ্য ও সম্প্রচার সচিব বলেন, “আমি মনে করি, সরকারের সিদ্ধান্তের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের জন্য নিজ নিজ অবস্থান থেকে আমাদের দায়িত্ব পালন করা জরুরি। একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে দেশের সুবিধার জন্য বিদ্যুৎ ব্যবহারে আমাদের বিচক্ষণ হতে হবে।”
টেকসই ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (¯্রডো) তৌফিক রহমান এবং আবদুল্লাহ আল মামুন বিশেষজ্ঞ হিসেবে মূল বক্তব্য রাখেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat