×
ব্রেকিং নিউজ :
চলতি অর্থবছরে রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা ৬৩.৪ বিলিয়ন ডলার দক্ষ জনশক্তি ও নিরাপদ কর্মপরিবেশই দেশের সমৃদ্ধির মূল চাবিকাঠি : শ্রমমন্ত্রী জলবায়ু-সহিষ্ণুতা বৃদ্ধিতে আইএফআরসির সঙ্গে আরও ঘনিষ্ঠ অংশীদারিত্ব চান শামা ময়মনসিংহে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ‘ক্লিন সানডে’ কর্মসূচি পালিত পঞ্চপল্লী প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের মাঝে স্কুল ব্যাগ বিতরণ চা শিল্পের উন্নয়নে সহযোগিতার আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর প্রকৃত দেশপ্রেমিক কখনো দুর্নীতিবাজ হতে পারেন না: বিমানমন্ত্রী জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়তে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে : আইনমন্ত্রী বঙ্গভবন ছাড়লেন সদ্য পদত্যাগী রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন এসডিজি জাতীয় প্রচার অনুষ্ঠানে ভারপ্রাপ্ত স্পিকারকে ইউএনওপিএস-এর আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ
  • প্রকাশিত : ২০২২-০৯-২৬
  • ৫৯৩ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক

লক্ষ্মীপুর জেলা সদরে ওমর ফারুক নামে এক ইউপি সদস্যকে কুপিয়ে হত্যার দায়ে মো. আমিন (৩২) নামে এক ব্যক্তিকে মৃত্যুদন্ডের আদেশ দিয়েছে আদালত।
সোমবার দুপুরে অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক আজিজুল হক এ রায় প্রদান করেন।জেলা জজ আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) জসিম উদ্দিন বলেন, ইউপি সদস্যকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়। আদালতে তা প্রমাণিত হয়েছে। এতে আদালত আসামির মৃত্যুদন্ড দিয়েছেন। রায়ের সময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিল।মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্ত আমিন সদর উপজেলার উত্তর হামছাদী ইউনিয়নের শ্যামগঞ্জ এলাকার বড় হুজুরের বাড়ির বশির উল্যার ছেলে।আদালত সূত্রে জানাগেছে, ওমর ফারুক উত্তর হামছাদী ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য (মেম্বার) ছিলেন। তিনি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদকের দায়িত্বে ছিলেন। ইউপি সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পরে তার সঙ্গে আমিনের মতবিরোধ সৃষ্টি হয়। পরবর্তীতে একটি চুরির ঘটনায় আমিনের ছোট ভাইয়ের ৭ লাখ টাকা জরিমানা করে ফারুক। ওই টাকা দেওয়ার জন্য আমিনের বাবাকে চাপ সৃষ্টি করা হয়। ওই ঘটনায় ক্ষিপ্ত হয়ে ফারুককে হত্যার জন্য তিনি পরিকল্পনা করেন।২০১৭ সালের ৩১ মার্চ রাতে পূর্ব পরিকল্পতভাবে বাজার থেকে বাড়ি ফেরার পথে ধারালো ছুরি দিয়ে ফারুকের শরীরের বিভিন্ন অংশে আঘাত করা হয়। এসময় ফারুক চিৎকার করলে আমিন আত্মগোপনে চলে যায়। পরে আহত অবস্থায় ফারুককে উদ্ধার করে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানেই পরদিন চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
ওইদিনই নিহতের স্ত্রী আমেনা খাতুন বাদী হয়ে ৯ জনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাত আরো ৮ জনকে আসামি করে সদর মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন।মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক (এসআই) সামসুল আরেফিন ২০১৮ সালের ২৯ আগস্ট আদালতে আমিনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। তদন্তকালে অন্য আসামিদের নাম বাদ দেয়া হয়। দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আদালত আসামি আমিনের মৃত্যদন্ড দিয়েছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat