×
ব্রেকিং নিউজ :
চলতি অর্থবছরে রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা ৬৩.৪ বিলিয়ন ডলার দক্ষ জনশক্তি ও নিরাপদ কর্মপরিবেশই দেশের সমৃদ্ধির মূল চাবিকাঠি : শ্রমমন্ত্রী জলবায়ু-সহিষ্ণুতা বৃদ্ধিতে আইএফআরসির সঙ্গে আরও ঘনিষ্ঠ অংশীদারিত্ব চান শামা ময়মনসিংহে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ‘ক্লিন সানডে’ কর্মসূচি পালিত পঞ্চপল্লী প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের মাঝে স্কুল ব্যাগ বিতরণ চা শিল্পের উন্নয়নে সহযোগিতার আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর প্রকৃত দেশপ্রেমিক কখনো দুর্নীতিবাজ হতে পারেন না: বিমানমন্ত্রী জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়তে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে : আইনমন্ত্রী বঙ্গভবন ছাড়লেন সদ্য পদত্যাগী রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন এসডিজি জাতীয় প্রচার অনুষ্ঠানে ভারপ্রাপ্ত স্পিকারকে ইউএনওপিএস-এর আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ
  • প্রকাশিত : ২০২২-০৯-২৪
  • ৩২৬ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক

বাংলাদেশের জন্য চীনের সব থেকে নিকটবর্তী প্রদেশ ইউনান। এই প্রদেশের সঙ্গে বাংলাদেশের ব্যবসা-বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক সম্প্রসারণের অমিত সম্ভাবনা রয়েছে। সেখানকার নৈস্বর্গিক সৌন্দর্র্য সহজেই উপভোগ করতে পারে বাংলাদেশের ভ্রমণ পিপাষুরা।
আজ শনিবার ঢাকায় বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ চায়না ফ্রেন্ডশিপ এক্সিবিশন সেন্টারে (বিবিসিএফইসি) অনুষ্ঠিত ‘কালারফুল ইউনান’ ইভেন্টে বক্তারা একথা বলেন। গণপ্রজাতন্ত্রী চীনের ৭৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী (ন্যাশনাল ডে) উপলক্ষে  ইউনান প্রদেশের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও লাইফস্টাইল পণ্যের প্রদর্শনীসহ ‘কালারফুল ইউনান’  নামে ইভেন্টির আয়োজন করা হয়।
ইভেন্টে ইউনান প্রদেশের সংস্কৃতি, প্রাকৃতিক ফুল, অর্গানিক ফুড এবং  আরও অনেক পণ্যের সমারহ তুলে ধরা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংস্কৃতি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ বলেন, ইউনানের ৮০ শতাংশ জায়গা পাহাড় পর্বতে ঘেরা। এখানে হাজার প্রজাতির ফুলের চাষ হয়। তাই এখানের সৌন্দর্য সহজেই ভ্রমণ পিপাষুদের আকৃষ্ট করে।  ইউনানের সঙ্গে  বাংলাদেশের ব্যবসা-বাণিজ্য-অর্থনৈতিক সম্পর্ক উন্নয়নের অনেক সম্ভাবনা রয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
ঢাকায় নিযুক্ত চীনা রাষ্ট্রদূত লি জিমিং বলেন, ‘কালারফুল ইউনান অনুষ্ঠান আমাদের সবার জন্য একটা আন্দঘন মুহুর্ত। আমরা এখানে সবাই মিলিত হতে পেরেছি।’ তিনি বলেন, বাংলাদেশ ও ইউনানের দূরত্ব খুব বেশি নয়, আকাশপথে মাত্র দুই ঘন্টা।  ইউনানের কালারফুল ভূপ্রকৃতি, পাহাড় , প্রাকৃতিক পরিবেশ, বৈচিত্রময় সংস্কৃতি  ও খাবার পর্যটকদের সহজেই আকৃষ্ট করে।  বাংলাদেশ ও ইউনানের মধ্যে ব্যবসা-বাণিজ্য উন্নয়নের এখনো অনেক সম্ভাবনা রয়ে গেছে। সংস্কৃতিক বিনিময়সহ  শিক্ষা, স্বাস্থ্য, খাদ্য, পযর্টনখাতে সহযোগিতা আরও  বাড়াতে পারি।
এতে ইউনান প্রদেশের  গভর্নর এইচ. ই. ওয়াং ইউবো, চীনে নিযুক্ত বাংলাদেশ দূতাবাসের চার্জ দি অ্যাফেয়ার্স ড. মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম, বাংলাদেশে নিযুক্ত ইউনান কমার্শিয়াল রিপ্রেজেন্টেটিভ অফিসের ডিরেক্টর লি জিয়াও প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat