×
ব্রেকিং নিউজ :
চলতি অর্থবছরে রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা ৬৩.৪ বিলিয়ন ডলার দক্ষ জনশক্তি ও নিরাপদ কর্মপরিবেশই দেশের সমৃদ্ধির মূল চাবিকাঠি : শ্রমমন্ত্রী জলবায়ু-সহিষ্ণুতা বৃদ্ধিতে আইএফআরসির সঙ্গে আরও ঘনিষ্ঠ অংশীদারিত্ব চান শামা ময়মনসিংহে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ‘ক্লিন সানডে’ কর্মসূচি পালিত পঞ্চপল্লী প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের মাঝে স্কুল ব্যাগ বিতরণ চা শিল্পের উন্নয়নে সহযোগিতার আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর প্রকৃত দেশপ্রেমিক কখনো দুর্নীতিবাজ হতে পারেন না: বিমানমন্ত্রী জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়তে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে : আইনমন্ত্রী বঙ্গভবন ছাড়লেন সদ্য পদত্যাগী রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন এসডিজি জাতীয় প্রচার অনুষ্ঠানে ভারপ্রাপ্ত স্পিকারকে ইউএনওপিএস-এর আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ
  • প্রকাশিত : ২০২২-০৯-২০
  • ৫২৯ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক

বান্দরবান জেলায় ছোট্ট মিয়া (৪৫) নামে এক গরু ব্যবসায়ীকে হত্যার দায়ে পাঁচজন আসামিকে মৃত্যুদন্ডের আদেশ দেয়া হয়েছে।আদেশে একই সঙ্গে ১০ হাজার টাকা জরিমানা এবং অপরাধের সাক্ষ্য-প্রমাণ অপসারণ করায় ৭ বছরের সশ্রম কারাদন্ড ও ১০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরো ৬ মাসের কারাদন্ডের আদেশ দেন আদালত।
মঙ্গলবার দুপুরে বান্দরবানের জেলা ও দায়রা জজ মো. ফজলে এলাহী ভূইয়া এ রায় দেন।আদালতের সুত্রে জানা যায়, মামলায় ৫জন আসামীর মধ্যে ১জন পুলিশের হেফাজতে আটক রয়েছে এবং বাকি ৪জন আসামী এখনো পলাতক রয়েছে। দন্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হল উচিংনু মার্মা (২২), উবাচিং মার্মা (৩০), চিং নু মং (২৩), মং নু মং (৫০) ও মং থু মারমা। আসামীরা সবাই বান্দরবান জেলার সদর উপজেলার লুলাইন হেডম্যান পাড়ার বাসিন্দা। এই মামলায় রে অং মার্মা নামে এক আসামির বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাকে বেকসুর খালাস প্রদান করা হয়।
এদিকে রায় ঘোষণার সময় মামলার দন্ডপ্রাপ্ত এক আসামি চিং নু মং আদালতে উপস্থিত থাকলেও বাকি চার আসামি পলাতক রয়েছে।
জেলা ও দায়রা জজ আদালতের ভারপ্রাপ্ত প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. কামরুল হাসান জানান, ছোট্ট মিয়া চট্টগ্রাম জেলার চন্দনাইশ উপজেলার দিয়াকুল এলাকার মৃত আনু মিয়ার পুত্র। ভিকটিম গরুর ব্যবসায়ী হওয়ার সুবাদে আসামি উচিংনু মার্মার কাছে থেকে ২ হাজার টাকা বায়না দিয়ে একটি গরু ক্রয় করে। পরে ভিকটিম ক্রয়কৃত গরু আনার জন্য বাকি টাকা নিয়ে বান্দরবানের রোয়াংছড়ি উপজেলার হানসামাপাড়া বাজারে যাওয়ার পর নিখোঁজ হয়, পরে পুলিশ ২০০৭ সালের ১২ সেপ্টেম্বর আসামি উচিংনু মার্মাকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করলে আসামি জানায়, সে কয়েকজনের সহযোগিতায় দা দিয়ে ছোট্ট মিয়ার গলা কেটে খুন করে মাটিচাপা দিয়ে রেখেছে। পরে ২০০৭ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর পুলিশ ও ম্যাজিস্ট্রেট ঘটনাস্থলে গিয়ে মাটি খুড়ে ভিকটিম ছোট্ট মিয়ার গলাকাটা মৃতদেহ উদ্ধার করে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat