×
ব্রেকিং নিউজ :
চলতি অর্থবছরে রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা ৬৩.৪ বিলিয়ন ডলার দক্ষ জনশক্তি ও নিরাপদ কর্মপরিবেশই দেশের সমৃদ্ধির মূল চাবিকাঠি : শ্রমমন্ত্রী জলবায়ু-সহিষ্ণুতা বৃদ্ধিতে আইএফআরসির সঙ্গে আরও ঘনিষ্ঠ অংশীদারিত্ব চান শামা ময়মনসিংহে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ‘ক্লিন সানডে’ কর্মসূচি পালিত পঞ্চপল্লী প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের মাঝে স্কুল ব্যাগ বিতরণ চা শিল্পের উন্নয়নে সহযোগিতার আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর প্রকৃত দেশপ্রেমিক কখনো দুর্নীতিবাজ হতে পারেন না: বিমানমন্ত্রী জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়তে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে : আইনমন্ত্রী বঙ্গভবন ছাড়লেন সদ্য পদত্যাগী রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন এসডিজি জাতীয় প্রচার অনুষ্ঠানে ভারপ্রাপ্ত স্পিকারকে ইউএনওপিএস-এর আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ
  • প্রকাশিত : ২০২২-০৭-১২
  • ২৫০ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. মো. এনামুর রহমান বলেছেন, দেশের বিভিন্ন এলাকার বানভাসি মানুষদের পুনর্বাসন প্রক্রিয়ায় সরকার পাশে আছে এবং থাকবে।
আজ দুপুরে সচিবালয়ের নিজ দপ্তরে ঈদ পরবর্তী শুভেচ্ছা বিনিময়কালে তিনি সাংবাদিকদের এ কথা জানান।
এ সময় মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. কামরুল হাসান, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আতিকুল হকসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘বন্যায় যে পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে ইতোমধ্যে আমাদের কাছে তার হিসেবে চলে এসেছে। আমরা আন্তঃমন্ত্রণালয় থেকে এটি কম্পাইল করছি। কোন জায়গায় কি পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, সেটি জানাতে পারব।’
তিনি আরো বলেন, আমরা আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠক করে ক্ষয়ক্ষতি পূরণে একটি তড়িৎ উদ্যোগ নেব। আমাদের কাছে পর্যাপ্ত খাদ্য, চাল, টিন ও গৃহ নির্মাণ সামগ্রী রয়েছে।
ডা. এনামুর বলেন, বানভাসি মানুষ যাতে ঈদের আনন্দ উপভোগ করতে পারেন, সেজন্য আমরা পর্যাপ্ত মানবিক সহায়তা দিয়েছি। নগদ অর্থ সহায়তাও দিয়েছি।
তিনি বলেন, এ উপলক্ষ্যে আমরা নগদ ২ কোটি টাকা, ১ হাজার মেট্রিক টন চাল, চার হাজার বান্ডেল টিন এবং ১ কোটি ২০ লাখ টাকা গৃহ নির্মাণ মজুরি বাবদ দিয়েছি।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনা আছে, অতিরিক্ত কিছু লাগলে, সেটি চাইলে তিনি সঙ্গে সঙ্গে বরাদ্দ দেন। সিলেট ও সুনামগঞ্জে যখন বন্যা চলছিল তখন আমাদের জিআর নগদ টাকা শেষ হয়ে গিয়েছিল। আমরা ১০ কোটি টাকা চেয়েছিলাম, তিনি (প্রধানমন্ত্রী) পরের দিন ২০ কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছিলেন।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী ৫ হাজার ৫শ’ জনকে ১০ হাজার টাকা করে বরাদ্দ দিয়েছেন এবং সিলেট ও সুনামগঞ্জে দিয়েছেন ১০ কোটি টাকা।
বন্যায় ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ সম্পর্কে জানতে চাইলে ডা. এনামুর বলেন, আমাদের কাছে ক্ষয়ক্ষতির রিপোর্টগুলো এসেছে। এগুলো কম্পাইল না করে সঠিক তথ্য দেওয়া যাবে না।
সরকারের ত্রাণ কার্যক্রম বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানিয়ে তিনি আরো বলেন, আমাদের পর্যাপ্ত ত্রাণ মজুদ রয়েছে, নগদ অর্থ আছে, কাপড় ও টিন সহ সব কিছু আছে। যে পরিমাণ ত্রাণের প্রয়োজন হবে, সে পরিমাণ ত্রাণ দেওয়ার সামর্থ্য আমাদের রয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat