×
ব্রেকিং নিউজ :
চলতি অর্থবছরে রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা ৬৩.৪ বিলিয়ন ডলার দক্ষ জনশক্তি ও নিরাপদ কর্মপরিবেশই দেশের সমৃদ্ধির মূল চাবিকাঠি : শ্রমমন্ত্রী জলবায়ু-সহিষ্ণুতা বৃদ্ধিতে আইএফআরসির সঙ্গে আরও ঘনিষ্ঠ অংশীদারিত্ব চান শামা ময়মনসিংহে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ‘ক্লিন সানডে’ কর্মসূচি পালিত পঞ্চপল্লী প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের মাঝে স্কুল ব্যাগ বিতরণ চা শিল্পের উন্নয়নে সহযোগিতার আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর প্রকৃত দেশপ্রেমিক কখনো দুর্নীতিবাজ হতে পারেন না: বিমানমন্ত্রী জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়তে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে : আইনমন্ত্রী বঙ্গভবন ছাড়লেন সদ্য পদত্যাগী রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন এসডিজি জাতীয় প্রচার অনুষ্ঠানে ভারপ্রাপ্ত স্পিকারকে ইউএনওপিএস-এর আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ
  • প্রকাশিত : ২০২২-০৬-৩০
  • ৭৬১ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক
ফাইল ছবি

ঢাকা উত্তর সিটি মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম বলেছেন, মশার উৎস খুঁজতে ড্রোনের মাধ্যমে আগামী শনিবার থেকে ১০ দিনব্যাপী চিরুনি অভিযান পরিচালনা করবে উত্তর সিটি কর্পোরেশন।
তিনি বলেন, ‘নগরের প্রতিটি বাড়িতে প্রবেশ করে ছাদ বা বেলকনিতে মশার উৎস খুঁজে বের করা কঠিন এবং এটি অনেক সময় সাপেক্ষ কাজ। তাই অত্যাধুনিক ড্রোন ব্যবহার করে  প্রতিটি বাড়ির ছাদে এডিসের লার্ভা আছে কিনা সেটি খুঁজে বের করা হবে এবং পাওয়া গেলে বাড়ির মালিকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।’
আজ রাজধানীর উত্তরা সেক্টর-৪ এলাকায় ড্রোনের মাধ্যমে মশার উৎস সনাক্তকরণ কার্যক্রম পরিদর্শনে এসে এসব কথা বলেন মেয়র। 
তিনি বলেন, ‘আগামী ২ থেকে ১১ জুলাই ঢাকা উত্তরের আওতাধীন প্রতিটি বাসা বাড়িতে অত্যাধুনিক  ড্রোনের মাধ্যমে মশার উৎস খুঁজতে আমরা চিরুনি অভিযান পরিচালনা করবো। সিটি কর্পোরেশন ড্রোন থেকে ছবি ও তথ্য উপাত্ত নিয়ে যেসব বাড়িতে মশার লার্ভা পাওয়া যায় তার একটি তথ্যভান্ডার তৈরি করবে। যা আগামী বছরে মশক নিধন কার্যক্রমে কাজে লাগবে।’
অনুষ্ঠানে তিনি স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, রাজধানীর হাসপাতাল ও রোগীদেরকে ডেঙ্গুর বিষয়ে সঠিক তথ্য দেয়ার আহ্বান জানান। 
ডেঙ্গু আক্রান্তদের সঠিক ঠিকানা দেয়া আহ্বান জানিয়ে আতিকুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা আপনাদের জরিমানা করবো না। শুধু ওই বাসায় গিয়ে আশেপাশে মশার কীটনাশক ছিটিয়ে দেব। কিন্তু আপনি যদি ভুল তথ্য দেন তাহলে আমরা সঠিকভাবে মশক নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম চালাতে পারবো না।’
তিনি বলেন, ‘আমরা নোভালিউরন নামে ট্যাবলেট জলাশয় ও বাসাবাড়ির পানির মিটারে ব্যবহার করছি যা তিনমাস পর্যন্ত পানিতে মশার জম্ম নিয়ন্ত্রণ করে।’
মশার উৎস সনাক্তকরণ কার্যক্রম পরিদর্শন শেষে মেয়র উত্তরা সেক্টর-৪ কল্যাণ সমিতি মাঠে সমিতির উদ্যোগে স্থাপিত মশা ধরার মেশিনের কার্যক্রম পরিদর্শন করেন। 
এটি মশা নিধনের একটি আধুনিক মেশিন। মেশিনটি একাধারে এডিস এবং কিউলেক্স মশা ধরতে পারে। এই মেশিনটি চতুর্দিকে ২৪৫ ফুট বা ৮০ মিটার ব্যাপী কার্যকরী। এটি কুইস্টা নামক একটি অ্যাপের মাধ্যমে পরিচালিত হয় যার মাধ্যমে তাৎক্ষনিক কতটি মশা ধরা পড়ল তা জানা যায় এবং মেশিনটি বন্ধ ও চালু করা যায়। এটি সম্পূর্ণরূপে শব্দ দূষণমুক্ত! পাইলট প্রকল্প হিসেবে উত্তরা ৪ নম্বর সেক্টরের কল্যাণ সমিতি মাঠ ও পার্কে ৬টি মেশিন স্থাপন করা হয়েছে।
অনুষ্ঠানে ডিএনসিসির প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল জোবায়দুর রহমান এবং অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat