×
ব্রেকিং নিউজ :
চলতি অর্থবছরে রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা ৬৩.৪ বিলিয়ন ডলার দক্ষ জনশক্তি ও নিরাপদ কর্মপরিবেশই দেশের সমৃদ্ধির মূল চাবিকাঠি : শ্রমমন্ত্রী জলবায়ু-সহিষ্ণুতা বৃদ্ধিতে আইএফআরসির সঙ্গে আরও ঘনিষ্ঠ অংশীদারিত্ব চান শামা ময়মনসিংহে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ‘ক্লিন সানডে’ কর্মসূচি পালিত পঞ্চপল্লী প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের মাঝে স্কুল ব্যাগ বিতরণ চা শিল্পের উন্নয়নে সহযোগিতার আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর প্রকৃত দেশপ্রেমিক কখনো দুর্নীতিবাজ হতে পারেন না: বিমানমন্ত্রী জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়তে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে : আইনমন্ত্রী বঙ্গভবন ছাড়লেন সদ্য পদত্যাগী রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন এসডিজি জাতীয় প্রচার অনুষ্ঠানে ভারপ্রাপ্ত স্পিকারকে ইউএনওপিএস-এর আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ
  • প্রকাশিত : ২০২২-০৬-০৬
  • ৭৬৬ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক

১৭ বছর বয়সে যৌন হেনস্থার শিকার হয়েছিলেন ‘সেক্রেড গেমস’ খ্যাত অভিনেত্রী কুবরা সাইত। দুই দশক বাদে তা নিয়ে মুখ খুলেছেন তিনি। ওয়েব সিরিজে ট্রান্স মহিলা কুকু-এর চরিত্রে অভিনেয় করেছেন তিনি।
‘ওপেন বুক: নট কোয়াইট আ মেময়ার’ নামে বইয়ে নিজের জীবনের নানা অভিজ্ঞতার কথা লিখেছেন তিনি। ওই বইতেই তিনি লিখেছেন, মাত্র ১৭ বছর বয়সে কী করে যৌন হেনস্থার শিকার হয়েছেন কুবরা।
প্রায় দুই দশক পর যৌন হেনস্থার মতো দুঃসহ অভিজ্ঞতার কথা বলতে গিয়ে কুবরা লিখেছেন, মায়ের ‘বিপদের বন্ধু’ সেজে পরিবারের ঘনিষ্ঠ উঠেছিলেন এক ব্যক্তি। মাত্র ১৭ বছর বয়সে, তার হাতে একাধিকবার যৌন হেনস্থার শিকার হয়েছেন। প্রায় আড়াই বছর ধরে এই অভিজ্ঞতা সইতে হয়েছিল তাকে। মুখ ফুটে মাকে বলার মতো সাহস হয়নি তার। কারণ অভিনেত্রীর পরিবারকে শেষ করে ফেলার হুমকিও নাকি দিতেন ওই ব্যক্তি।
এই বিষয় বিস্তারিতভাবে নিজের বইয়ে লিখছেন, সেই সময় প্রায়শই বেঙ্গালুরুর একটি রেস্তোরাঁয় পরিবারের সঙ্গে যেতেন তিনি। সেখানকার মালিকের সঙ্গে তাদের পারিবারিক ঘনিষ্ঠতা বেড়ে ওঠে। ওই ব্যক্তি অভিনেত্রীর মাকে আর্থিকভাবে সাহায্য করেছিলেন। সাহায্যের পরপরই ওই ব্যক্তি তার সঙ্গে অভব্য আচরণ শুরু করে। ওই ব্যক্তি বিবাহিত ছিলেন। এক সন্তানও ছিল তার। আড়াই বছরের মধ্যেই আরও এক সন্তান হয়।
কুবরার দাবি, প্রথমবার গাড়ির পিছনের সিটে বসে এই ব্যবহারের আঁচ পান তিনি। সেই সময় ভয়ে পেয়ে গিয়েছিলেন কিশোরী কুবরা। এরপর তাদের বাড়িতে নিয়মিত যাতায়াত ছিল ওই ব্যক্তির। বিভিন্ন সময় তার গালে চুম্বন করতেন। কুবরার মায়ের কাছে বিষয়টা স্বাভাবিক ছিল। তিনি ভাবতেন পুরোটাই স্নেহের বশে করছে ওই ব্যক্তি।
বইয়ের এক প্রচ্ছদে কুবরা জানিয়েছেন, তাকে সঙ্গে করে একদিন হোটেলে নিয়ে যায় ওই ব্যক্তি। এরপর ভয়াবহ অভিজ্ঞতার মুখে পড়েন তিনি। সেই সময় ভয়ে পেয়ে যান তিনি। চিৎকার করে পালাতে চেয়েও পারেননি। কিশোরী কুবরা বুঝে উঠতে পারছিলেন না কী করবেন!
অভিনেত্রী বইতে আরও দাবি করেছেন, তার সঙ্গে অশান্তির জন্য পারিবারিক সাহায্য করাও বন্ধ করে দেন ওই ব্যক্তি। এমনকি বিভিন্ন সময় তার পরিবারের ক্ষতি করার হুমকিও দিতেন। যদিও এ ক্ষেত্রে মায়ের অগাধ বকুনি খেতে হয়েছে অভিনেত্রীকে। যদিও সবকিছু সহ্য করে সেই সময় চুপ ছিলেন তিনি। এতদিন বাদে নিজের বইতে একথা ফাঁস করলেন অভিনেত্রী। সূত্র: হিন্দুস্থান টাইমস।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat