×
ব্রেকিং নিউজ :
চলতি অর্থবছরে রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা ৬৩.৪ বিলিয়ন ডলার দক্ষ জনশক্তি ও নিরাপদ কর্মপরিবেশই দেশের সমৃদ্ধির মূল চাবিকাঠি : শ্রমমন্ত্রী জলবায়ু-সহিষ্ণুতা বৃদ্ধিতে আইএফআরসির সঙ্গে আরও ঘনিষ্ঠ অংশীদারিত্ব চান শামা ময়মনসিংহে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ‘ক্লিন সানডে’ কর্মসূচি পালিত পঞ্চপল্লী প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের মাঝে স্কুল ব্যাগ বিতরণ চা শিল্পের উন্নয়নে সহযোগিতার আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর প্রকৃত দেশপ্রেমিক কখনো দুর্নীতিবাজ হতে পারেন না: বিমানমন্ত্রী জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়তে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে : আইনমন্ত্রী বঙ্গভবন ছাড়লেন সদ্য পদত্যাগী রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন এসডিজি জাতীয় প্রচার অনুষ্ঠানে ভারপ্রাপ্ত স্পিকারকে ইউএনওপিএস-এর আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ
  • প্রকাশিত : ২০২২-০৩-৩১
  • ৩৭৪ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক

স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেছেন, বহুমুখী পদক্ষেপের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী দেশে অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন নিশ্চিত করেছেন।
তাঁর সাথে আজ সংসদ ভবনে বিবেকানন্দ ইন্টারন্যাশনাল ফাউন্ডেশনের প্রতিনিধিদল সৌজন্য সাক্ষাৎ করলে তিনি এ কথা বলেন।
প্রতিনিধিদলের অংশ হিসেবে বিবেকানন্দ ইন্টারন্যাশনাল ফাউন্ডেশনের ডিরেক্টর ড. অরবিন্দ গুপ্ত, সেন্টার হেড ল্যাঃ জেঃ রবি কুমার শাওনি, সেন্টার হেড ড. শ্রীরাধা দত্ত এবং বাংলাদেশ ফাউন্ডেশন ফর রিজিয়নাল স্টাডিজের চেয়ারম্যান এ এস এম শামসুল আরেফিন সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। এসময় পংকজ দেবনাথ এমপি ও তানভীর শাকিল জয় এমপি উপস্থিত ছিলেন।
সাক্ষাৎকালে তারা ভারত-বাংলাদেশ সুদীর্ঘ বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক, বাংলাদেশের অভূতপূর্ব ও চলমান উন্নয়ন কার্যক্রম, বাংলাদেশের স্থিতিশীল আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি, ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসারসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন।
স্পিকার বলেন, ভারত বাংলাদেশের অকৃত্রিম বন্ধু। মুজিব শতবর্ষের অনুষ্ঠানে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর এদেশ সফর ভারত-বাংলাদেশের ঐতিহাসিক সম্পর্ককে আরো জোরদার করেছে। ভারতের সাথে বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক, সামাজিক এবং অর্থনৈতিক সম্পর্ক রয়েছে। দুই দেশেরই ইতিহাস, সংস্কৃতি, ভাষার মিল রয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশে অভূতপূর্ব উন্নয়ন সাধিত হয়েছে। অবকাঠামোগত ব্যাপক উন্নয়ন, প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলে শতভাগ বিদ্যুতায়ন, মানুষের জীবনযাত্রার মানের উন্নয়ন, বিদ্যুৎ সুবিধার কারণে তাদের অর্থনৈতিক অগ্রগতি, নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মাসেতু, আশ্রয়ণ প্রকল্পের মাধ্যমে ভূমিহীন-গৃহহীনদের আবাসস্থল নির্মাণ ইত্যাদি বহুমুখী পদক্ষেপের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন নিশ্চিত করেছেন। কেউ পেছনে পড়ে থাকবে না-এ কথাটির শতভাগ বাস্তবায়নে প্রধানমন্ত্রী সদা সচেষ্ট।
ভারত বাংলাদেশের ঐতিহাসিক সম্পর্ক স্মরণ করে ড. অরবিন্দ গুপ্ত বলেন, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শী বৈদেশিক নীতি ও বন্ধুত্বপূর্ণ মনোভাব অতুলনীয়। কোভিডকালীন সময়ে তার গৃহীত পদক্ষেপের কারণে বাংলাদেশে কোভিড পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ছিল, যা তার বিচক্ষণতার পরিচায়ক।
বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ ভবনের নান্দনিক সৌন্দর্যের প্রশংসা করে শ্রীরাধা দত্ত বলেন, বাংলাদেশ নারীর ক্ষমতায়নের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। সংরক্ষিত নারী সংসদ সদস্য ছাড়াও বাংলাদেশে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক নির্বাচিত নারী সংসদ সদস্য রয়েছে, যা অনুসরণীয়।
ল্যাঃ জেঃ রবি কুমার শাওনি বলেন, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের সামগ্রিক উন্নয়নে যেভাবে কাজ করছেন, তাতে তিনি বিশ্বের কাছে একজন রোল মডেল।
স্পিকার বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন ও দুর্যোগ প্রশমনে বর্তমান সরকার ব্যাপকভাবে প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এ বিষয়ে ভারতের অব্যাহত সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।
এসময় সংসদ সচিবালয়ের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat