×
ব্রেকিং নিউজ :
চলতি অর্থবছরে রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা ৬৩.৪ বিলিয়ন ডলার দক্ষ জনশক্তি ও নিরাপদ কর্মপরিবেশই দেশের সমৃদ্ধির মূল চাবিকাঠি : শ্রমমন্ত্রী জলবায়ু-সহিষ্ণুতা বৃদ্ধিতে আইএফআরসির সঙ্গে আরও ঘনিষ্ঠ অংশীদারিত্ব চান শামা ময়মনসিংহে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ‘ক্লিন সানডে’ কর্মসূচি পালিত পঞ্চপল্লী প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের মাঝে স্কুল ব্যাগ বিতরণ চা শিল্পের উন্নয়নে সহযোগিতার আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর প্রকৃত দেশপ্রেমিক কখনো দুর্নীতিবাজ হতে পারেন না: বিমানমন্ত্রী জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়তে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে : আইনমন্ত্রী বঙ্গভবন ছাড়লেন সদ্য পদত্যাগী রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন এসডিজি জাতীয় প্রচার অনুষ্ঠানে ভারপ্রাপ্ত স্পিকারকে ইউএনওপিএস-এর আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ
  • প্রকাশিত : ২০২২-০৩-২৮
  • ৫৮৮ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক

দেশের নতুন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস স্থাপনের জন্য ভূমির পরিমাণ নির্ধারণে শিগগির একটি ফ্রেমওয়ার্ক তৈরি করবে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন (ইউজিসি)।
ফ্রেমওয়ার্কে দেশের সাত ধরনের বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের ক্ষেত্রে জমির পরিমাণ কি হবে তা উল্লেখ থাকবে।
আজ ইউজিসিতে অনুষ্ঠিত নব প্রতিষ্ঠিত পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়সমূহের ক্যাম্পাসের জন্য ভূমির পরিমাণ নির্ধারণ সংক্রান্ত গঠিত কমিটির এক সভায় ফ্রেমওয়ার্ক প্রনয়ণের বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। খবর সংবাদ বিজ্ঞপ্তির।
সভায় জানানো হয়, ভূমি বরাদ্দে নির্মাণযোগ্য জমির পরিমাণ, বিশ্ববিদ্যালয়ের ধরন, শিক্ষার্থী সংখ্যা, ক্যাম্পাসের ডিজাইনসহ বিভিন্ন বিষয় পরিমাপক হিসেবে কাজ করবে। অপ্রয়োজনে ভূমি অধিগ্রহণ নিরুৎসাহিত করতে এবং নতুন বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস স্থাপনে এই ফ্রেমওয়ার্ক প্রয়োজনীয় ভূমির পরিমাণ নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
ইউজিসি সদস্য ও সংশ্লিষ্ট কমিটির আহ্বায়ক প্রফেসর ড. মুহাম্মদ আলমগীরের সভাপতিত্বে সভায় কমিশনের সদস্য প্রফেসর ড. দিল আফরোজা বেগম, প্রফেসর ড. বিশ্বজিৎ চন্দ, প্রফেসর ড. মো. আবু তাহের, বুয়েটের প্রোভিসি প্রফেসর ড. আব্দুল জব্বার খান, বুয়েটের স্থাপত্য বিভাগের প্রফেসর ড. খন্দকার সাব্বির আহম্মেদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোল ও পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের প্রফেসর ড. নুরুল ইসলাম নাজেম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
সভায় কমিটির সদস্যরা দেশের উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জন্য একটি একাডেমিক মাস্টার প্লান প্রণয়ন এবং নতুন পাবলিক বিশ্ববদ্যিালয় স্থাপনে ইউজিসির মতামত গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
ইউজিসির প্রফেসর আলমগীর বলেন, বাংলাদেশ একটি ঘনবসতিপূর্ণ দেশ হওয়ায় বিশ্ববদ্যালয়ের জন্য ভূমি অধিগ্রহণ খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এছাড়া, সরকার দেশের সব জেলায় একটি করে বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। এসব কারণে বিশ্ববিদ্যালয়সমূহের জন্য ভূমির পরিমাণ যৌক্তিক পর্যায়ে নির্ধারণ করা দরকার। পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়সমূহের ক্যাম্পাস স্থাপনে সুনির্দিষ্ট নীতিমালা না থাকার কারণে জমি অধিগ্রহণ বিষয়ে নানা সংকট তৈরি হচ্ছে বলে তিনি জানান।
তিনি আরো বলেন, বর্তমানে দেশে ৫২টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে। জনসংখ্যা বৃদ্ধি ও যুগের চাহিদার কারণে এ সংখ্যা ক্রমশ বৃদ্ধি পাবে। বিশ্ববদ্যালয়ের ক্যাম্পাস স্থাপনে জমির পরিমাণ নির্দিষ্ট করা গেলে আবাদী জমি ও জলাশয় রক্ষা করা যাবে এবং জমি অধিগ্রহণ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়কে কোন বিরূপ পরিস্থিতির মধ্যে পড়তে হবে না বলে তিনি জানান।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat