×
ব্রেকিং নিউজ :
চলতি অর্থবছরে রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা ৬৩.৪ বিলিয়ন ডলার দক্ষ জনশক্তি ও নিরাপদ কর্মপরিবেশই দেশের সমৃদ্ধির মূল চাবিকাঠি : শ্রমমন্ত্রী জলবায়ু-সহিষ্ণুতা বৃদ্ধিতে আইএফআরসির সঙ্গে আরও ঘনিষ্ঠ অংশীদারিত্ব চান শামা ময়মনসিংহে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ‘ক্লিন সানডে’ কর্মসূচি পালিত পঞ্চপল্লী প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের মাঝে স্কুল ব্যাগ বিতরণ চা শিল্পের উন্নয়নে সহযোগিতার আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর প্রকৃত দেশপ্রেমিক কখনো দুর্নীতিবাজ হতে পারেন না: বিমানমন্ত্রী জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়তে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে : আইনমন্ত্রী বঙ্গভবন ছাড়লেন সদ্য পদত্যাগী রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন এসডিজি জাতীয় প্রচার অনুষ্ঠানে ভারপ্রাপ্ত স্পিকারকে ইউএনওপিএস-এর আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ
  • প্রকাশিত : ২০২২-০৩-২৫
  • ৬০৩ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন আজ বলেছেন, বাংলাদেশ "মানবিক কারণে" "ইউক্রেনে রাশিয়ার যুদ্ধ" বন্ধ করার দাবিতে জাতিসংঘের প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দিয়েছে।
রাজধানীতে এক অনুষ্ঠান থেকে বের হয়ে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, "(ভোট দেওয়ার) প্রধান কারণ হচ্ছে মানবিক। বাংলাদেশ মানবিক দেশ হিসেবে সারা বিশ্বে সুপরিচিত।"
ইউক্রেন ও তার মিত্রদের দ্বারা উত্থাপিত খসড়া প্রস্তাবটি বৃহস্পতিবার নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সদর দফতরে গৃহীত হয়। ১৪০টি দেশ সেখানে প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দিয়েছে, ৩৮টি বিরত ছিল এবং পাঁচটি দেশ প্রস্তাবের বিপক্ষে ভোট দিয়েছে।
২ মার্চ প্রস্তাব উত্থাপনের প্রেক্ষিতে এ ভোট গ্রহন অনুষ্ঠিত হয়। এ প্রস্তাবে অবিলম্বে রাশিয়ার শক্তি প্রয়োগ বন্ধ করার দাবি জানানো হয়েছে। বাংলাদেশ তার দক্ষিণ এশিয়ার প্রতিবেশী ভারত, পাকিস্তান এবং শ্রীলঙ্কার সাথে ভোট দান থেকে বিরত ছিল। বাংলাদেশ বৃহস্পতিবারের প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দিলেও তার তিন প্রতিবেশী ভারত, পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কা ভোট দান থেকে নিজেদের বিরত রেখেছে।
চীন উভয় প্রস্তাবে ভোট দেওয়া থেকে বিরত ছিল। তবে ৫টি দেশ - রাশিয়া, সিরিয়া, উত্তর কোরিয়া, বেলারুশ ও ইরিত্রিয়া বৃহস্পতিবার ও ২ মার্চ প্রস্তাবের বিরুদ্ধে ভোট দেয়।
বাংলাদেশ তার অবস্থান পরিবর্তন করেছে কি না জানতে চাইলে ড. মোমেন বলেন, বাংলাদেশের অবস্থান একই রয়েছে কারণ ঢাকা সব সময় শান্তির পক্ষে এবং যুদ্ধের বিপক্ষে।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ২ মার্চের প্রস্তাবকে পক্ষপাতমূলক বলে মনে করে এবং এটি যুদ্ধের অবসান ঘটাতে সক্ষম হবে না। "তাই আমরা সেই সময় ভোট দেইনি।”
তিনি বলেন, বৃহস্পতিবারের প্রস্তাবটি বেসামরিক মানুষের কল্যাণে। তিনি বলেন, "আমরা নির্যাতিত মানুষের নিরাপত্তা চাই এবং সেজন্য আমরা হ্যাঁ বলেছি।"
ড. মোমেন বলেন, যুদ্ধের প্রভাব বাংলাদেশের মতো নিরীহ দেশে উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক কর্মকা-ে পড়বে কারণ সবাই পরস্পর নির্ভরশীল। তিনি আরও বলেন, আমরা অভিজ্ঞতা থেকে জানি, যে কোনো যুদ্ধে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয় সাধারণ মানুষ।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat