×
ব্রেকিং নিউজ :
চলতি অর্থবছরে রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা ৬৩.৪ বিলিয়ন ডলার দক্ষ জনশক্তি ও নিরাপদ কর্মপরিবেশই দেশের সমৃদ্ধির মূল চাবিকাঠি : শ্রমমন্ত্রী জলবায়ু-সহিষ্ণুতা বৃদ্ধিতে আইএফআরসির সঙ্গে আরও ঘনিষ্ঠ অংশীদারিত্ব চান শামা ময়মনসিংহে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ‘ক্লিন সানডে’ কর্মসূচি পালিত পঞ্চপল্লী প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের মাঝে স্কুল ব্যাগ বিতরণ চা শিল্পের উন্নয়নে সহযোগিতার আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর প্রকৃত দেশপ্রেমিক কখনো দুর্নীতিবাজ হতে পারেন না: বিমানমন্ত্রী জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়তে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে : আইনমন্ত্রী বঙ্গভবন ছাড়লেন সদ্য পদত্যাগী রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন এসডিজি জাতীয় প্রচার অনুষ্ঠানে ভারপ্রাপ্ত স্পিকারকে ইউএনওপিএস-এর আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ
  • প্রকাশিত : ২০২২-০২-১২
  • ৫০৫ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক

মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন সাবেক আফগান সরকারের যে ৭শ’ কোটি মার্কিন ডলার জব্দ করেছেন তার অর্ধেক তিনি ৯/১১ সন্ত্রাসী হামলায় ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে বিলিয়ে দিতে চান। বাকি অর্ধেক খরচ করতে চান যুদ্ধবিধ্বস্ত  আফগানিস্তানে চরম আর্থিক সংকটে থাকা মানুষের সহায়তায়।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন আফগানদের ওই অর্থ স্থানীয় সময় শুক্রবার এক নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষরের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে জব্দ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
আফগানিস্তানে তালেবানের ক্ষমতা দখলের পর নিউইয়র্কের ফেডারেল রিজার্ভে জমা থাকা ওই অর্থ আটকে দেওয়া হয়।
বাইডেনের অর্থ জব্দের সিদ্ধান্তের বিষয়ে সিনিয়র একজন মার্কিন কর্মকর্তা জানান, আফগানিস্তানের জব্দ করা অর্থের মধ্যে ৩৫০ কোটি ডলার আফগানদের মানবিক সহায়তার জন্য গঠন করা তহবিলে যুক্ত করার অনুমতি চাইবেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। বাকি অর্থ ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রে টুইন টাওয়ারে হামলায় ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য রাখা হবে।
হোয়াইট হাউস থেকেও একই তথ্য জানিয়ে বলা হয়েছে, জব্দ করা আফগান অর্থ নিয়ে মার্কিন আদালতে মামলা চলছে। ৯/১১ হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিরা ওই অর্থ দাবি করে মামলাটি করেছিলেন। এ কারণে ৩৫০ কোটি মার্কিন ডলারের বেশি অর্থ যুক্তরাষ্ট্রেই রাখা হবে। 
উল্লেখ্য, গত আগস্টে রাজধানী কাবুল দখল করে তালেবান। ওই মাসেই আফগানিস্তান ছেড়ে চলে যায় দেশটিতে দীর্ঘ ২০ বছর ধরে অবস্থান করা মার্কিন সেনারা। এরপর তালেবান সরকার গঠন করে। তাদের পূর্বের মানিবাধিকার রেকর্ডের কারনে এখনও কোন দেশ আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের স্বীকৃতি দেয়নি।
এছাড়া কাবুলের পতনের পর শুধু যুক্তরাষ্ট্রই আফগানদের অর্থ আটক করেনি,আফগানিস্তানে আন্তর্জাতিক সহায়তাও স্থগিত হয়ে পড়ে। এতে দেখা দিয়েছে চরম মানবিক বিপর্যয়। কারন দেশটিতে চলছে তীব্র খরা। সব মিলিয়ে চরম আর্থিক সংকটে আছেন আফগানরা। 

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat