×
ব্রেকিং নিউজ :
চলতি অর্থবছরে রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা ৬৩.৪ বিলিয়ন ডলার দক্ষ জনশক্তি ও নিরাপদ কর্মপরিবেশই দেশের সমৃদ্ধির মূল চাবিকাঠি : শ্রমমন্ত্রী জলবায়ু-সহিষ্ণুতা বৃদ্ধিতে আইএফআরসির সঙ্গে আরও ঘনিষ্ঠ অংশীদারিত্ব চান শামা ময়মনসিংহে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ‘ক্লিন সানডে’ কর্মসূচি পালিত পঞ্চপল্লী প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের মাঝে স্কুল ব্যাগ বিতরণ চা শিল্পের উন্নয়নে সহযোগিতার আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর প্রকৃত দেশপ্রেমিক কখনো দুর্নীতিবাজ হতে পারেন না: বিমানমন্ত্রী জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়তে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে : আইনমন্ত্রী বঙ্গভবন ছাড়লেন সদ্য পদত্যাগী রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন এসডিজি জাতীয় প্রচার অনুষ্ঠানে ভারপ্রাপ্ত স্পিকারকে ইউএনওপিএস-এর আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ
  • প্রকাশিত : ২০২২-০১-০৩
  • ৯৫৯ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক

ঝালকাঠির সুগন্ধা নদে এমভি অভিযান-১০  লঞ্চে অগ্নিকান্ডের ঘটনায় দগ্ধ  আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে।
আজ  সোমবার  সকাল ১১টার দিকে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটের আইসিউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
তার নাম মো. রাসেল শেখ (৩৮)।  রাসেল মুন্সিগঞ্জ জেলার শ্রীনগর উপজেলার নোওয়াপাড়া  গ্রামের মৃত গাফফার শেখের পুএ। 
এরআগে আগুনে রাসেলের দু’সন্তান জীবন (১৪) ও ইমন (৯) লঞ্চেই মারা গিয়েছিল। এছাড়া রাসেলের শাশুড়ি মনোয়ারা বেগম (৬০) এবং তার শ্যালকের স্ত্রী রুমা (২০) ও রুমার মেয়ে অহনা (৩) একই ঘটনায় আগুনে দগ্ধ হয়ে মারা যায়। বর্তমানে রাসেলের স্ত্রী পুতুল এবং পুতুলের বড় ভাই কালু বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।
এ নিয়ে লঞ্চ দুর্ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৪৭ জনে দাঁড়ালো। 
আজ পর্যন্ত লঞ্চে অগ্নিকান্ডের ঘটনায় দগ্ধ হয়ে রাসেলসহ চারজন শেখ হাসিনা বার্ন ইন্সটিটিউটে মারা গেছে।
শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটের প্রধান সমন্বয়ক ডা. সামন্তলাল সেন আজ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, রাসেলের শরীরের ২৮ শতাংশ দগ্ধ ছিল। তিনি আইসিউতে চিকিৎসাধীন ছিলেন।
গত ২৩ ডিসেম্বর দিবাগত রাত ৩টার দিকে ঢাকা থেকে বরগুনাগামী ঝালকাঠির সুগন্ধা নদে এমভি অভিযান-১০ লঞ্চে আগুন লাগে। লঞ্চের ইঞ্জিনরুমে হঠাৎ আগুন লেগে যায়। খুব অল্প সময়ের মধ্যে আগুন ছড়িয়ে পড়ে পুরো লঞ্চে। এ ঘটনায় নারী- শিশুসহ  ৪৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়াও আহত রয়েছেন শতাধিক যাত্রী, নিখোঁজও আছেন অনেকে। আহতদের রাজধানীসহ বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
এরআগে গত বুধবার সন্ধ্যায় শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটে শাহিনুর খাতুন স্বপ্না (৪০) নামে এক নারী আইসিইউতে মারা যান  । বৃহস্পতিবার  রাতে ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন মারা যায় হাবিব খান (৪৫) নামে এক ব্যক্তি। এছাড়া ২৯ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় তামিম নামে এক শিশু মারা যায়। 
ডা. সামন্তলাল সেন জানান, লঞ্চে দগ্ধদের মধ্যে ২১ জনকে শেখ হাসিনা বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়েছে। এরমধ্যে ৪জন মারা গেছেন। সুস্থ হয়ে ফিরে গেছেন পাঁচজন, এখনো ভর্তি রয়েছেন ১৩ জন। এই ১৩ জনের মধ্যে হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) রয়েছেন তিনজন।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat