×
ব্রেকিং নিউজ :
চলতি অর্থবছরে রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা ৬৩.৪ বিলিয়ন ডলার দক্ষ জনশক্তি ও নিরাপদ কর্মপরিবেশই দেশের সমৃদ্ধির মূল চাবিকাঠি : শ্রমমন্ত্রী জলবায়ু-সহিষ্ণুতা বৃদ্ধিতে আইএফআরসির সঙ্গে আরও ঘনিষ্ঠ অংশীদারিত্ব চান শামা ময়মনসিংহে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ‘ক্লিন সানডে’ কর্মসূচি পালিত পঞ্চপল্লী প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের মাঝে স্কুল ব্যাগ বিতরণ চা শিল্পের উন্নয়নে সহযোগিতার আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর প্রকৃত দেশপ্রেমিক কখনো দুর্নীতিবাজ হতে পারেন না: বিমানমন্ত্রী জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়তে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে : আইনমন্ত্রী বঙ্গভবন ছাড়লেন সদ্য পদত্যাগী রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন এসডিজি জাতীয় প্রচার অনুষ্ঠানে ভারপ্রাপ্ত স্পিকারকে ইউএনওপিএস-এর আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ
  • প্রকাশিত : ২০২১-১১-২৫
  • ৯৯৪ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক

ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেছেন, ডিজিটাইজেশনের প্রভাবে প্রচার মাধ্যম হিসেবে প্রচলিত পত্রিকা, রেডিও এবং টেলিভিশন সাংবাদিকতায় অভাবনীয় পরিবর্তন সূচিত হয়েছে। 
তিনি বলেন, এরই ধারাবাহিকতায় এসব প্রচার মাধ্যমের পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক,  ইউটিউব ও অন্যান্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে   বিভিন্ন ধরনের কনটেন্ট প্রকাশ বা প্রচার করার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। 
মন্ত্রী ডিজিটাল যুগের দক্ষতা অর্জনের মাধ্যমে আগামী দিনের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় প্রস্তুতি গ্রহণের জন্য শিক্ষার্থীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। 
মোস্তাফা জব্বার আজ বৃহস্পতিবার ঢাকায় ডফেোডলি ইউনভর্িাসটিরি গণযোগাযোগ ও সাংবাদকিতা বভিাগের উদ্যোগে আয়োজতি ‘মডিয়িা কনর্ভাজন্সে’ র্শীষক এক সমেনিারে অনলাইনে যুক্ত থকেে প্রধান অতথিরি বক্তৃতায় এ আহবান জানান।
তিনি বলেন, ‘করোনাকালে সাংবাদিকতা আগের ধারায় ছিলনা এবং করোনা পরবর্তী সময়েও তা আর আগের জায়গায় ফিরে যাবে না।’ 
উল্লেখ্য, বাংলাদেশের প্রথম অনলাইন সংবাদ মাধ্যম ‘আবাস’ এর চেয়ারম্যান ছিলেন সাংবাদিক মোস্তাফা জব্বার। 
মন্ত্রী বলেন, ডিজিটাইজেশনের কারণে সভ্যতার এ যুগে কাগজের এনালগ অস্তিত্ব বিদায় নিবে। তাই,স্বাভাবিক জীবন যাপনের জন্য ডিজিটাল যন্ত্রের ব্যবহার জানতেই হবে। এ জন্য ‘ডিজিটাল বিশেষজ্ঞ’ হওয়ার প্রয়োজন নেই। 
কে কী বিষয় নিয়ে লেখা পড়া করছে সেটা বিবেচ্য নয় বরং পাঠ্যপুস্তকের অর্জিত জ্ঞান লাভের পাশাপাশি প্রযুক্তিগত দক্ষতা গুরুত্বপূর্ণ বলে তিনি উল্লেখ করেন।
বাংলাদেশ ডিজিটাল যুগে বসবাসের সক্ষমতা অর্জন করেছে উল্লেখ করে শিক্ষায় ডিজিটাল রূপান্তরের পথিকৃৎ মোস্তাফা জব্বার বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভিশনারি নেতৃত্বে এবং প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি উপদেষ্টা সজীব আহমেদ ওয়াজেদ জয়ের পরামর্শে ডিজিটাল বাংলাদেশ এখন বাস্তবায়নের দ্বারপ্রান্তে। এরই ধারাবাহিকতায় অতীতের তিনটি শিল্প বিপ্লব মিস করায় শত শত বছরের পশ্চাৎপদতা অতিক্রম করে বাংলাদেশ চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের নেতৃত্বের জায়গায় উপনীত হয়েছে। 
কম্পিউটারে বাংলা পত্রিকা প্রকাশের জনক মোস্তাফা জব্বার বলেন, ১৯৮৭ সালে কম্পিউটারে বাংলা হরফ প্রচলনের ধারাবাহিকতায় দেশে সীসার হরফে বাংলা লেখার যুগের অবসান হয়। এরই ধারাবাহিকতায় বিজয় বাংলা কী বোর্ড বিজ্ঞান সম্মত কী বোর্ড হিসেবে সরকারিভাবে গৃহীত হয়। 
তিনি বলেন,‘বাংলা ভাষা পৃথিবীর ৩৫ কোটি মানুষের মাতৃভাষা। ইউনিকোড কনসোর্টিয়ামের সহযোগিতায় বাংলাকে এখন যে কোন ডিজিটাল ডিভাইসে লেখার উপযোগী হিসেবে আমরা প্রতিষ্ঠা করতে  সক্ষম হয়েছি।
এ সেমিনারে সেশন চেয়ার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির সাংবাদিকতা, মিডিয়া এবং যোগাযোগ বিভাগের উপদেষ্টা ও দৈনিক আজকের পত্রিকার সম্পাদক অধ্যাপক ড. গোলাম রহমান। 
অধ্যাপক ড. গোলাম রহমান বলেন, বাংলা প্রিন্টিংয়ের বৈপ্লবিক পরিবর্তনের সূচনা বাংলা ভাষার বিকাশের জন্য একটি ঐতিহাসিক মাইলফলক।
ইউনিভার্সিটি সায়েন্স মালোয়েশিয়ার স্কুল অফ কমিউনিকেশনের সহযোগী অধ্যাপক জুলিয়ানা আব্দুল ওয়াহাব অনুষ্ঠানে ‘স্ট্রিমিং টিভি অ্যান্ড নিউ ভিউয়িং কালচার’ শীর্ষক প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন
অন্যান্যের মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক মফিজুর রহমান, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান কাজী এম আনিছুল ইসলাম এবং গ্রিন ইউনিভার্সিটির সাংবাদিকতা ও মিডিয়া কমিউনিকেশন বিভাগের চেয়ারপারসন ড. শেখ মোহাম্মদ শফিউল ইসলাম সেমিনারে বক্তৃতা করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat