×
ব্রেকিং নিউজ :
চলতি অর্থবছরে রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা ৬৩.৪ বিলিয়ন ডলার দক্ষ জনশক্তি ও নিরাপদ কর্মপরিবেশই দেশের সমৃদ্ধির মূল চাবিকাঠি : শ্রমমন্ত্রী জলবায়ু-সহিষ্ণুতা বৃদ্ধিতে আইএফআরসির সঙ্গে আরও ঘনিষ্ঠ অংশীদারিত্ব চান শামা ময়মনসিংহে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ‘ক্লিন সানডে’ কর্মসূচি পালিত পঞ্চপল্লী প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের মাঝে স্কুল ব্যাগ বিতরণ চা শিল্পের উন্নয়নে সহযোগিতার আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর প্রকৃত দেশপ্রেমিক কখনো দুর্নীতিবাজ হতে পারেন না: বিমানমন্ত্রী জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়তে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে : আইনমন্ত্রী বঙ্গভবন ছাড়লেন সদ্য পদত্যাগী রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন এসডিজি জাতীয় প্রচার অনুষ্ঠানে ভারপ্রাপ্ত স্পিকারকে ইউএনওপিএস-এর আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ
  • প্রকাশিত : ২০২১-১০-০৬
  • ৫৫০ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক

 পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন আজ বলেছেন, সরকার রোহিঙ্গা নেতা মোহিব উল্লাহ’র হত্যাকারীদের বিচারের আওতায় আনতে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।
তিনি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমরা এই ঘটনার পর তাৎক্ষনিক পদক্ষেপ নিয়েছি। আমরা কোথাও এ ধরনের ঘটনা (হত্যাকা-) চাই না।’
পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সরকার ইতোমধ্যেই এই ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ততায় কয়েকজন সন্দেহভাজনকে গ্রেফতার করেছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ ব্যাপারে কাজ করছে। ২৯ সেপ্টেম্বর কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অজ্ঞাত বন্দুকধারীদের গুলিতে  মোহিব (৪৪) নিহত হন। রোহিঙ্গা নেতার এই হত্যাকা-কে দুঃখজনক উল্লেখ করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, মোহিব উল্লাহ্ রোহিঙ্গাদের তাদের নিজ ভূমি মিয়ানমারে প্রত্যাবাসনের ন্যায়সঙ্গত আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।
ড. মোমেন সন্দেহ প্রকাশ করে বলেন যে- কেউ কেউ রাখাইনে নিজ ভূমিতে ফিরে যাবার জন্য মোহিব উল্লাহ্ আগ্রহকে পছন্দ নাও করে থাকতে পারে। তিনি বলেন, বাংলাদেশ জোরপূর্বক বাস্তুচ্যূত রোহিঙ্গাদের তাদের নিজ ভূমি মিয়ানমারে নিরাপদে ফিরে যেতে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তে মানব পাচারের পাশাপাশি অবৈধ অস্ত্র ও মাদক পাচারের  কিছু প্রতিবেদনের কথা তুলে ধরে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ সরকার ইতোমধ্যেই এ ব্যাপারে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। তিনি বলেন, ‘আমরা বসে নেই। এগুলো বন্ধে আমরা সব ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করব।’
পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আফগানিস্তানকে ঘিরে চলমান বৈশ্বিক সংকট সত্ত্বেও সদ্য সমাপ্ত জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে  রোহিঙ্গা ইস্যুটিও বেশ ভালভাবেই আলোচিত হয়েছে।
২০১৭ সালের ২৫ আগস্ট থেকে বাংলাদেশ ১১ লাখের বেশি রোহিঙ্গাকে কক্সবাজার জেলায় আশ্রয় দিয়েছে। এদের অধিকাংশই মিয়ানমারে সেনাবাহিনীর দমন-অভিযান শুরু হওয়ার পর বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে। জাতিসংঘ এই নির্মম ঘটনাকে ‘জাতিগত নিধনের প্রকৃষ্ট উদাহরণ’ এবং অন্যান্য মানবাধিকার সংগঠনগুলো ‘গণহত্যা’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছে।
বিগত চার বছরে একজন রোহিঙ্গাও তাদের দেশে ফিরে যায়নি। যদিও মিয়ানমার তাদের ফিরিয়ে নিতে সম্মত হয়েছিল।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat