×
ব্রেকিং নিউজ :
সিলেটের সঙ্গে ১৮ ঘণ্টা পর রেল যোগাযোগ স্বাভাবিক সংস্কৃতিমন্ত্রীর সঙ্গে পাকিস্তানের হাইকমিশনারের সৌজন্য সাক্ষাৎ ট্যাক্স কর্মকর্তারা জনগণের বন্ধু, আতঙ্ক নয় : হুইপ বকুল শিশু হাসপাতালে নতুন বহির্বিভাগ ইউনিট উদ্বোধন করলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী বিকল্প পথে সৌদি থেকে চট্টগ্রামে আসছে আরও ১ লাখ টন তেল জ্বালানি ব্যবহারে সাশ্রয়ী হওয়ার আহ্বান মন্ত্রীর শনিবার বায়তুল মোকাররমে বিক্ষোভের ডাক ১১ দলীয় জোটের বেকারত্ব মোকাবিলায় নতুন শিল্প স্থাপনের পরিকল্পনা : শিল্প মন্ত্রী ওসমান হাদি হত্যা: সিআইডির তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল ১৯ এপ্রিল বাণিজ্যমন্ত্রীর সঙ্গে জেটরো’র কান্ট্রি রিপ্রেজেনটেটিভের বৈঠক
  • প্রকাশিত : ২০২৬-০৪-০২
  • ৪৫৬৬৭৬৭৭ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক
নেপালে ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে দুর্নীতিবিরোধী বিক্ষোভে সরকার পতন এবং পুরোনো সংসদ ভবন পুড়ে যাওয়ার পর প্রথমবারের মতো বৃহস্পতিবার নতুন সংসদের অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

নবনির্বাচিত আইনপ্রণেতারা নতুন সংসদ ভবনে মিলিত হন, যেখানে অনেক সদস্যই প্রথমবারের মতো দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

কাঠমান্ডু থেকে এএফপি জানায়, দেশটির নতুন প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র শাহ এই অধিবেশনে উপস্থিত ছিলেন। শাহ তাঁর দল রাষ্ট্রীয় স্বাধীনতা পার্টিকে নেতৃত্ব দিয়ে নির্বাচনে জয়ী হয়েছেন। দলটি ২৭৫টির মধ্যে ১৮২টি আসন পেয়েছে, যা দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতার কাছাকাছি।

৩৫ বছর বয়সী শাহ কালো পোশাক এবং তার স্বাক্ষরধর্মী কালো সানগ্লাস পরে অধিবেশনে যোগ দেন। নির্বাচনে জয়ের পর থেকে শপথ গ্রহণ এবং একটি র‌্যাপ গান প্রকাশ ছাড়া তিনি প্রকাশ্যে তেমন কোনো বক্তব্য দেননি।

দলের সভাপতি রবি লামিছানে সংসদ সদস্যদের উদ্দেশে বলেন, ‘আমরা যে ভোট পেয়েছি, তা শুধু সমর্থনের নয়, পরিবর্তনের জন্য। আমরা সেই পরিবর্তনের পথ শুরু করেছি।’

তিনি বিরোধী দলকে সরকারের কার্যক্রম ২৪ ঘণ্টা পর্যবেক্ষণের আহ্বান জানান এবং তাদের অভিজ্ঞতা দিয়ে ভুলত্রুটি ধরিয়ে দেওয়ার অনুরোধ করেন।

তরুণ নেতৃত্বের উত্থান

নতুন সংসদে আগের তুলনায় তরুণদের উপস্থিতি উল্লেখযোগ্য। সরাসরি নির্বাচিত সদস্যদের প্রায় ৬০ শতাংশের বয়স ৪০ বছরের নিচে।

২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে স্বল্প সময়ের জন্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া বিক্ষোভ দ্রুতই দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে। দুর্নীতি ও অর্থনৈতিক সংকট নিয়ে দীর্ঘদিনের ক্ষোভই এর মূল কারণ ছিল।

দুই দিনের সহিংসতায় অন্তত ৭৬ জন নিহত হন।

গ্রেপ্তার ও তদন্ত

এই বিক্ষোভ-সহিংসতার ঘটনায় ইতোমধ্যে সাবেক প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলিসহ কয়েকজন শীর্ষ ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

একটি তদন্ত কমিশন ওলি, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রমেশ লেখাক এবং কাঠমান্ডুর সাবেক প্রধান জেলা কর্মকর্তা ছবিলাল রিজালকে অবহেলার কারণে মৃত্যুর ঘটনায় দায়ী করে তদন্তের সুপারিশ করেছে।

তবে সংশ্লিষ্টরা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন এবং এখনো তাদের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠন করা হয়নি।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat